সুন্দরবন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি হবে একদিন!

ঢাকা, ২৯ মে, ২০১৯ | 2 0 1

সুন্দরবন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি হবে একদিন!

সাহেদ আলম ৬:০৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৬

সুন্দরবন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি হবে একদিন!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রচারণাকারীদের বেশিরভাগই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের মুখে থাকা জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎপ্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তার দাবী, যারা রামপাল নির্মাণে নিবৃত করছেন, তারা অধিকাংশই জামায়াত সংশ্লিষ্ট। বাংলাদেশে উন্নয়নের যে গতি এসেছে, যেভাবে হোক এটা (তাদের) থামাতে হবে বলেই তারা আন্দোলনের ফন্দি ফিকির করছে বলেও মন্তব্য তার!

শেখ হাসিনার হাত দিয়ে বাংলাদেশ কখনই যেন বিশ্বে সবার ওপরে না দাঁড়াতে পারে সেজন্যই জামায়াত সংশ্লিষ্টরা এ কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন বিপু। রাজধানীর লেক ক্যাসেল হোটেলে ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন, পরিবেশ ও প্রতিবেশ এবং রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভূমিকা’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম শুধু কেন, বাইরে মাঠের আন্দোলন যারা করছে এমন অনেককেই চিনি জানি, যারা ফুলবাড়ীর উন্মুক্ত কয়লা খনির বিরোধী ছিল এবং একই সাথে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামের রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষের বড় কণ্ঠস্বর। তারা একই ভাবে একাত্তরে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারে সক্রিয় ছিল, এবং এখনও যুদ্ধপরাধ বিচারের সবচেয়ে বড় সমর্থক।

সে কারণে, ঢালাওভাবে সকল রামপাল বিরোধিকে জামায়াতের রাজনীতির সমর্থক বলাটা বাংলাদেশে চলমান ট্যাগে'র রাজনীতির সম্প্রসারণ ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করি আমি। ট্যাগের রাজনীতি কি সেটা বলার আগে একটু বলি, যে অনুষ্ঠানে নসরুল হামিদ বিপু কথাগুলি বলেছেন সেই সুচিন্তা ফাউন্ডেশন এর কিছু কথা।

সুন্দর কিছু নিয়ে চিন্তা করার অর্থই হলো সুচিন্তা। এ্ই সুন্দর সুন্দর চিন্তা করে সমাজে তার প্রতিফলন ঘটানোর মানসেই বোধ করি এই সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ। সুচিন্তা বাংলাদেশের আহবাহক-সুচিন্তা ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান হলেন ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এবং সরকারের সব ভালো কাজের উচ্চমানের একজন প্রচারক মোহাম্মদ এ আরাফাত।

সরকারেরর এমন একটি ভালো কাজ হলো তিনি আরেকটি বাণিজ্যিক বিশ্ববিদ্যালয় (সম্প্রতি অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠান 'কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়' এর প্রধান হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে নানাবিষয়ে সুন্দরবন আর রামপাল নিয়ে সুন্দর সুন্দর সব চিন্তা করে আসছেন বহু দিন থেকেই।

সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর বন্ধু পরিচয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুবাদে মত প্রকাশের স্বাধীনতার পুরোটা বাধাহীন ভাবেই তিনি উপভোগ করেন, তাই যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা প্রতিবাদী ব্যানার প্রোফাইল পিকচার প্রভৃতি দিয়ে রামপালের বিরুদ্ধে অবস্থান সবাই পরিস্কার করছেন, তখন তার সুন্দর সুন্দর চিন্তা প্রতিনিয়তই উগড়ে দেন তার ফেসবুকের পাতায়।

গত ৩ অক্টোবর তিনি লেখেন, 'রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে এর বিরোধী গোষ্ঠীর মিথ্যা প্রচারের ফলে কিছু মানুষ এখনও বিভ্রান্ত। এদের মিথ্যা কথাগুলো যদি আসলে সত্যি হতো, তাহলে সুন্দরবনের তথা পরিবেশের অবশ্যই ক্ষতি হত। যে কারণে এরা মিথ্যার পর মিথ্যা বলে সুন্দরবনের ক্ষতির বিষয়টি জায়েজ করার চেষ্টা করছে। তবে, আমরা সচেষ্ট আছি এদের মিথ্যার মুখোশগুলো উন্মোচনের মাধ্যমে জনগণকে সত্যগুলো জানাতে। মিথ্যা বলে আর যাই হোক জনগণের স্বার্থরক্ষা হয় না।'

সেই মুখোশ উন্মোচনের কাজটি তিনি একা যেহেতু পারছেন না, তাই জ্বালানী প্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে বলালেন, 'এরা জামায়াতে ইসলামীর সাথে সংশ্লিষ্ট' এর আগে, জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক আন্দোলনকারীদের সাথে তাল মিলিয়েছে! ইউনেস্কো সুন্দরবনের সম্ভাব্য ক্ষতির দিকটি বর্ণনা করে এই রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সরাসরি বিরোধিতা করে যে বিবৃতি দিয়েছিল, সেটারও বিরোধিতা করে গত ২৫ সেপ্টেম্বর, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছিলেন, 'ইউনেস্কোর প্রতিবেদন অনুযায়ি আমাদের মংলা পোর্টও বন্ধ করে দেয়া উচিত। তাহলে বলুন আমরা কি তাই করবো ?'

মৃতপ্রায় মংলা পোর্টকে সক্রিয় করার খুলনা এলাকার মানুষের জনদাবী দীর্ঘদিনের। মংলা পোর্ট হাজার হাজার টন কয়লার শক্তি দিয়ে চলে সেটা আমাদের জানিয়ে বড়ই একটি সুন্দর চিন্তার উপহার দিয়েছেন তিনি। এবং সেই সুন্দর চিন্তা দিয়ে তিনি রামপালের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে মংলা পোর্টের সাথে মিলিয়ে এক করার চেষ্টা করছেন সেটা একটা সুন্দর চিন্তার যুক্তি হতে পারে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

এবং বিশ্বাস করেন বলেই তিনি, 'ইয়েস টু রামপাল' নিয়ে মূলত জন আন্দোলন গড়ার চেষ্টা করছেন। সরকারী দলের এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানের অনুদানে বিভাগে বিভাগে তিনি 'ইয়েস টু রামপাল' নামে সভা সেমিনার করছেন এবং রামপালের পক্ষে জনমত গড়ার চেষ্টা করছেন। বিষয়টিকে অবশ্যই আমি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখি। কেননা, যেখানে বন্দুক দিয়ে, সাইকেল আরোহীদের মিছিলে ছাত্রলীগ লেলিয়ে দিয়ে অনায়াসেই সব করে ফেলা যায়, সেখানে তিনি অন্তত জনমত গঠনের সুন্দর চিন্তা করছেন, সেটা অবশ্যই প্রশংসার।

তবে তার এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে একটি অ-সুন্দর চিন্তা আছে বলেই আমি মনে করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনেক সমালোচনা করা যায়, তবে একটি বিষয়ে তার চরম নিন্দুকেরা একমত হবেন যে, তিনি বাংলাদেশকে অনেক গভীরভাবেই জানেন, এবং ভালোবাসেন। বাংলাদেশের ক্ষতি তিনি জেনে শুনেই করতে চাইবেন না কোনোভাবে এটা তার চরম প্রতিপক্ষও বিশ্বাস করেন। কেননা, তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা।

অনেক বিষয়ে তিনি একটা পক্ষ নিয়ে ফেলেন এটা সত্য কিন্তু পরে তাকে সেই পক্ষে শক্ত অবস্থানে আমরা দেখিনি, শুধুমাত্র দেশ আর বৃহৎ জনগোষ্ঠীর স্বার্থহানি হবে দেখে পিছু সরে যাওয়ার নজির তিনি রেখেছেন। আড়িয়াল বিলের বিমানবন্দর স্থাপন থেকে সরে আসা তার এই পিছে আসার উদাহারণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভ্যাট আন্দোলনে শক্ত অবস্থানে থাকার পরও তিনি সরে এসেছিলেন।তাতে তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতাই প্রকাশ পেয়েছিল।

মাঠগরমের ইস্যুগুলো তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়নি কখনই। কিন্তু, রামপালের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে তিনি একটি শক্ত অবস্থান নিয়ে ফেলেছেন বোধ করি সুচিন্তা’র মতো কোনো কোনো উদ্যোগের বশবর্তী হয়ে। সেই সাথে তার পরিবেশ এর চ্যাম্পিয়ন পরিচিতিটাও বিশ্ব পরিমণ্ডলে দ্বিধায় ফেলে দেয়ার একটা অবস্থান তৈরী হয়েছে ইতিমধ্যে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি আলাদা পরিচিতি আছে বিশ্বজুড়ে। সেটা হলো, তিনি পরিবেশ রক্ষার যোদ্ধা। জলবায়ু পরিবর্তন আর বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য করণীয়ের উদাহরণ তিনি নিজে করিয়ে দেখিয়েছেন। অ্যানেক্স-১ বা শিল্পোন্নত দেশগুলোর অনুদানের টাকায় নির্ভরশীল হয়ে বসে না থেকে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স ফান্ড গঠন করে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আর দুর্যোগ প্রস্তুতির অ্যাডাপটেশন বা অভিযোজন সক্ষমতা বাড়াতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন তার শাসনামলে, তার জন্য তিনি জাতিসংঘের সেরা পরিবেশ বিষয়ক পুরস্কা 'চ্যাম্পিয়ন অফ দ্যা আর্থ' পুরস্কার গ্রহণ করেছেন ২০১৫ সালে।

এটা তার জন্য যেমন গর্বের, তেমনি দেশের জন্যেও বড় একটা অর্জন। এর আগে শুধু ড. আতিক রহমান আর তার সহযোগী ড. সালিমুল হক এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। এটা পরিবেশের ক্ষেত্রে নোবেল পুরস্কারের মতই সম্মানীয়। যে কারণে তিনি এই পুরস্কার পেয়েছিলেন, তার মধ্যে দুর্যোগ প্রতিরোধের প্রস্তুতি বা ‘প্রিরিপ্রিয়াডনেস' একটি ইস্যু। যেই জাতিসংঘ তাকে চ্যাম্পিয়ন অফ দ্য আর্থ পুরস্কারে সম্মানিত করেছিল, সেই জাতিসংঘের আরেকটি ক্ষমতাধর অঙ্গ 'ইউনেসকো'র বিপরীতে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খাটো করার সুদুর প্রসারী চিন্তা আছে, সুচিন্তা নেই আর যাই হোক।

যেটা বলছিলাম, দুর্যোগে উপকূলের মানুষকে সুন্দরবন কতটা মায়ের মত আগলে রাখে সুচিন্তা’র মানুষেরা সেটা কি জানেন? তাদের কি টেলিভিশনের টকশো ছাড়া, দুর্যোগের মধ্যে কোনোদিন সুন্দরবনের চেহারা দেখার সৌভাগ্য হয়েছে? আমার হয়েছে বলেই আমি সাহস করে লিখছি। ২০০৭ সালের সিডরে আমি সুন্দর বনকে অনেক কাছে থেকেই দেখেছি। সে রাত আমার রিপোর্টার হিসেবে কেটেছিল মংলায়।

উপকুল থেকে মংলার জয়মনি পর্যন্ত বৃক্ষরাজি কিভাবে বুক পেতে দিয়ে সেই ঘুর্নিঝড় আর জলোচ্ছ্বাস মোকাবেলা করেছে আমি দেখেছি। কিভাবে বলেশ্বর নদীর মধ্য ভাগ দিয়ে দানব সিডর ধংস চালিয়ে বাগের হাটের মোড়ল গঞ্জের জনবসতিকে ঝরা পাতার মত নাচিয়েছিল আমি দেখেছি। উপকূল থেকে তোলা চিত্রে অনেকাংশে সুন্দরবনের ৮০ ভাগ গাছপালা বিদ্ধস্ত হয়েছিল সেটা দেখার পর, অনেকেই বলেছিল এই বন অনেক সময় নেবে উঠে দাঁড়াতে।

কিন্তু সুন্দরবন, খুব অল্প সময়ের ব্যবধানেই আবার সবুজে ভরে উঠেছিল। উঠেছিল কেননা, তার কোমরে শক্তি ছিল। এখন যে সুন্দর বনের কোমরটাই ভেঙ্গে ফেলার নেশায় মত্ত হয়ে উঠেছেন সুন্দর চিন্তার মানুষগুলো, সেটাই বড় দুশ্চিন্তা।

দুশ্চিন্তার আরেকটি কারণ হলো, এসব সুচিন্তার প্রচারণায় প্রধানমন্ত্রীকে রামপাল প্রশ্নে আরো অনঢ় অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে পরিবেশ বিরোধী কর্মকাণ্ডে ধাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। এর মধ্যে বিশ্বের তাবৎ বৃহৎ গণমাধ্যমে সুন্দর বনের ইউনেস্কো হেরিটেজ ধ্বংশের সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিবেদন হয়েছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক পরিবেশবাদী অনেক সংস্থায় এখন রামপাল প্রশ্নে একাট্টা আন্দোলনে। এবং সেই আন্দোলনের সাথে সাথে শেখ হাসিনার চ্যাম্পিয়ন অফ দ্য আর্থ ভাবমূর্তিকে কয়লা লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে, একটি জনবিরোধী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। যারা এই চেষ্টা করছেন তারাও সমানভাবে শেখ হাসিনাকে সুন্দরবন হন্তারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।

সুচিন্তা বাংলাদেশের আহবায়ককে, সম্প্রতি সিলেটের এমসি কলেজ শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিসের উপর কোপ বসানো গণধিকৃত বদরুলের নিন্দা করতে দেখা গেছে সীমিত পরিসরে। তিনি লিখেছেন, 'বদরুলের মতো পশুদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিৎ এবং হবে বলে আশাও করি। অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। তবে যারা চোখের সামনে অপরাধ সংঘটিত হতে দেখেও প্রতিরোধ করে না, তাদের প্রতি অনুকম্পা।

আর যারা এইসব অপরাধগুলোকে ঘিরে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করে তাদের প্রতি ঘৃণা।' প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বদরুলদের শাস্তি দেয়ার ঘোষণা দেয়ার পর তিনি সাহস করে বদরুলদের ঘৃণা করতেই এই কথাখানি লিখেছেন। সাধুবাদ।

তার সাথে তাল মিলিয়ে বলতে চাই। সুন্দরবন রক্ষার জন্য রামপাল বিরোধিদের কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। তবে যারা চোখের সামনে সুন্দর বনের কোমর ভেঙ্গে দেবার জন্য নির্লজ্জ ভাবে কাজ করছে, তাদের জন্য অনুকম্পা। আর যারা এই সুন্দরবনকে হত্যা করার মত অপরাধকে ঘিরে উল্টো প্রচারণা চালিয়ে জ্ঞানপাপীদের মত আচরণ করছেন, তাদের প্রতি ঘৃণা।

তবে এতকিছুর পরও যদি, সুন্দরবনের পাশে সবুজঘাতি কয়লা ভিত্তিক রামপাল প্রকল্প হয়, তাতে যদি প্রাকৃতিক দুযোর্গের দেশ বাংলাদেশে আরো একটি প্রলয়্ঙ্কারী সিডরের মত ঝড় আঘাত হানে তার সকল ক্ষয়ক্ষতি আর প্রাণহানীর জন্য ভবিষ্যতে একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে এই সকল মানুষকে। একদিন, সুন্দরনের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি হবে এই সুন্দরবনের বাংলাদেশেই।

নিউই্য়র্ক ৯ অক্টোবর ২০১৬

সাহেদ আলম : সাংবাদিক।
[email protected]

 

মতান্তর: আরও পড়ুন

আরও