লন্ডনকাণ্ড দায় কার?

ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫

লন্ডনকাণ্ড দায় কার?

মিলটন রহমান ৫:২৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৮

print
লন্ডনকাণ্ড দায় কার?

লন্ডনের বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিএনপি কর্মীদের হামলার খবর এখন সমালোচনার তুঙ্গে। দল-মত নির্বিশেষে সকলেই এই ঘটনার নিন্দা জ্ঞাপন করছেন। লন্ডনে তথা পুরো ব্রিটেনে বসবাসকারী বাঙালীরা অনেকটা হতবাক! নিজেদের মিশনে নিজেরাই হামলা চালালো? বিএনপি‘র যেসব নেতা-কর্মী সেদিন হাই কমিশন সম্মুখে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলো তারা একবারও কি ভেবে দেখেছেন কি ঘটতে যাচ্ছে?

হয়তোবা হা হয়তোবা না। কারণ আমাদের রাজনীতির মাঠে এখন বোধহীন মানুষের সংখ্যাই বেশি। গাধার পীঠে একটি বস্তা চাপিয়ে দিলে সে শুধু একমুখিই হাটতেই থাকে। সে আর কোন পথের কথা ভাবে না। পিঠে কি চাপিয়ে দিলো তাও ভেবে দেখে না। আমাদের (অপ)রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের দশা ওই গাধাটির চেয়ে কোন ব্যতিক্রম নয়। লন্ডনের বাংলাদেশ হাই কমিশন কোন রাজনৈতিক দলের নয়। এটি গণপ্রজাতন্ত্রি বাংলাদেশ সরকারের। এখানে যারা দায়িত্ব পালন করেন তারা সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

তারা কোন রাজনৈতিক দলের নয়। না আওয়ামী লীগ, না বিএনপি বা অন্য কোন দলের। তারা যে মিশনটি পরিচালনা করে সেটি বিলেতে বসবাসরত সকল বাঙালীর কল্যাণে। সুবিধাভূগি এই জনগোষ্ঠির মানুষরা বিভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করে। তাই বলে হাই কমিশন রাজনৈতিক বিশ্বাস চিন্তা করে তো সেবা দেয় না।

এই প্রতিষ্ঠান সকলের জন্য সেবা দিয়ে থাকে। সেই সাথে ব্রিটেনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে অন্যতম ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে সেদিনের হামলার ঘটনায় ব্রিটেন সরকারও বিস্মিত হয়েছে। কোন শত্রু নয় নিজেরাই নিজেদের মিশনে হামলা চালিয়েছে! এই হামলা পুরো বিশ্বের কাছে বাঙালীকে নির্বোধের কাতারে নামিয়ে এনেছে।

অথচ এই ঘটনা ঘটিয়েছে মাত্র কয়েকজন বিএনপি নেতা-কর্মী। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটিবেল ট্রাস্ট দূর্নীতি মামলার রায় হবে। তার প্রতিবাদে সমাবেশ হতেই পারে। সেই সমাবেশ থেকে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা বাতিলের দাবিতে লিখিত দাবিও জানানো যেতে পারে।

কিন্তু এভাবে হামলা চালানো এবং রীতিমত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ছবি রাস্তায় এনে জনসম্মুখে পায়ের জুতো দিয়ে...। ওই হামলাকারীরা কি জানে বঙ্গবন্ধু কে?

আজকে যে মিশনের সম্মুখে দাঁড়িয়ে এই তান্ডব চালাচ্ছে এর নাম ‘বাংলাদেশ হাই কমিশন‘ হলো কি করে?

কারণ শেখ মুজিবুর রহমান নামে একজন মহান পুরুষ ‘বাংলাদেশ‘ নামটি আমাদের এনে দিয়েছিলেন বলে। যারা এই তান্ডব চালিয়েছে তারাতো প্রকারান্তরে নিজের পিতাকেই অপদস্ত করেছে। সন্তান অসৎ হলে পাড়াপ্রতিবেশি ওই সন্তানকে নানান খিস্তি-খেউড়ে ডাকে। যারা নিজের পিতাকে অপমান করে, যারা নিজের দেশের স্থপতিকে লাঞ্চিত করে তাদেরকে দেশবাসী খারাপ কোন খেউড়ে ডাকছেন বলেই আমার বিশ্বাস।

পঁচাত্তর সালের পনের অগাস্ট ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর এমন তান্ডব চালানো হয়েছিলো লন্ডন হাই কমিশনে। ওই হত্যার সাথে পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা জড়িত ছিলো। সেদিন সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলতে উদ্যত হয়েছিলো ওই হায়েনারা। কিন্তু পেরেছিলো কি?

পারে নি। কারণ ইতিহাসে যে নাম একবার লেখা হয়ে গেছে তাকে মোছে কার সাধ্য! বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন ভূখন্ড যিনি নির্মাণ করে দিয়েছেন তা তিনি না থাকলে সম্ভব ছিলো না। তাঁর আগে কিংবা তাঁর সময়ের অনেক নেতা ছিলেন, কই তারা তো কেউ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হুংকার দিতে পারেন নি। শেখ মুজিবুর রহমান সেই সাহসী মহাবিপ্লবী, যিনি পাকিস্তানের শোষণের বিরুদ্ধে বুক টান টান করে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর সেই অদম্য সাহস এনে দিয়েছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তাঁর এনে দেয়া সেই স্বাধীন দেশের নামে আমরা পুরো বিশ্বে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরি।

তাহলে কেনো স্বাধীন বাংলার এই স্থপতির ছবি ভেঙে এমন নারকীয় তান্ডব। তাহলে কি পঁচাত্তরের সেই প্রেতাত্মারাই আবার সক্রিয় হলো? পঁচাত্তরের পর বহু আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে। সব আন্দোলন সংগ্রামেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নিজেদের দাবি এই হাই কমিশনের মাধ্যমে সরকারকে জানিয়েছে। কিন্তু কোন দল বা গোষ্ঠি এ ধরনের নেক্কারজনক ঘটনা ঘটায় নি। বিএনপির যে নেতা-কর্মীরা সেদিন হাই কমিশনে হামলা চালালো তারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। কেউ কেউ ব্রিটিশ পাসপোর্ট ধারণ করলেও বাংলাদেশের বিএনপি রাজনীতিতে বিশ্বাসী ।

তারা একবারও কি ভেবে দেখেছে, যে দেশের রাজনীতি তারা বিশ্বাস করে সেই দেশের নাম বাংলাদেশ। আর এই দেশটি এনে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর সেই মানুষটির ছবি নিয়েই তারা তান্ডব চালালো! একটি রাজনীতিক দল বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বেড়ে উঠেছে, তা সত্য। কিন্তু যারা সেদিন তাঁর ছবি নিয়ে তান্ডব চালিয়েছিলো তারা কি জানে রাজনীতির বাইরেও বিশাল একটি জনগোষ্ঠি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে।

সেই মানুষগুলো কৃষক-মজুর, জেলে-মাঝি, পেশাজীবি-ব্যবসায়ী, তাদের কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই। তাঁরা আমার-আমাদের মত সাধারণ মানুষ। এই হিসেব করলে দেখা যায় বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ সরাসরি কোন রাজনৈতিক দলে বিশ্বাসী না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর প্রতি রয়েছে তাঁদের অঘাত শ্রদ্ধা। বঙ্গবন্ধুকে এখন কেবল কোন রাজনৈতিক দলের ভাবলে চলবে না। এমনকি অনেক রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী আছে যারা আওয়ামী রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করেন।

যে বিএনপি কর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে সেই দলটিতেও এমন রাজনীতিকের সংখ্যা একেবারে কম নয়।

তারেক রহমান কান্ডজ্ঞানহীনভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক করলেও তাঁরা জানেন বঙ্গবন্ধু সেই মহান ঘোষক। এই যে বিপুল জনগোষ্ঠির শ্রদ্ধার মহাপুরুষটির ছবি নিয়ে তান্ডব চালানো হলো, এর সাথে সম্পৃক্তদের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তে উপনীতি হওয়া উচিত তা নিশ্চয় ভেবে দেখবে সরকার। বিলেতে স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য এখন রাজনীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। জামায়াত-বিএনপির অনেক কর্মী রয়েছে যারা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে লন্ডনে বিভিন্ন রাজনৈতিক নাশকতা সৃষ্টি করে এসাইলাম আবেদন করেছে এবং করছে। ফলে আগামীতে এ ধরনের আরো ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে কমিউনিটি এবং হাই কমিশনের সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত।

আবার লন্ডনের বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলার ঘটনাটি ভিন্ন চোখে দেখার সুযোগ রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের শুনানির প্রতিবাদে বিএনপি হাই কমিশন সম্মুখে প্রতিবাদ সমাবেশ পূর্ব ঘোষণা দিয়েই করেছে। সে হিসেবে হাই কমিশনের উচিত ছিলো অতিরিক্ত পুলিশি সাহায়তা চাওয়াসহ বিএনপি কর্মীদের ভীড় অদূরে আটকে দেয়ার ব্যবস্থা করা।

বিএনপিতান্ডব চালানোর সময় দেখা গেছে মাত্র ক‘জন পুলিশ মূল ফটকে দাঁড়ানো ছিলো। তাদের ফাক গলে কয়েকজন বিএনপি কর্মী ভিতরে প্রবেশ করে উপরে টানানো বঙ্গবন্ধুর ছবিটি বের করে বাইরে নিয়ে এসে তান্ডব চালায়। হাই কমিশন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করার কারণেই এ নাশকতা চালানোর সুযোগ পেয়েছে বিএনপি। নিরাপত্ত বিষয়ে মিশন উদাসিন না হলে পুরো দেশকে এমন একটি নেক্কারজনক ঘটনার মুখোমুখি হতে হতো না। লন্ডন হাই কমিশনের কার্যক্রমের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছে।

তারেক রহমানের পাসপোর্ট নবায়ন, একজনের পাসপোর্ট আরেকজনের নামে ইস্যু করা এধরনের কিছু ঘটনা ঘটেছে। এ মিশনে বাংলাদেশ এবং এর স্বাধীনতার প্রশ্নে নানান অসঙ্গতি ব্যক্তিগতভাবে আমার দৃষ্টিগোছর হয়েছে। এর মধ্যে দু‘টি উদাহাণ দেয়া যেতে পারে।

এক.
প্রতি বছর ডিসেম্বর এলেই ব্রিটেন-বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে পালিত হয় ‘বিজয়ফুল কর্মসূচি‘। এ কর্মসূচির মাধ্যমে মূলত নতুন প্রজন্মকে জানানো হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা। এ কর্মসূচি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবগত আছেন। আমি যতদূর জানি ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর হাই কমিশনার ৩০ নভেম্বর লন্ডন সময় সন্ধ্যে ছয়টা এক মিনিটে আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনার চত্বরে কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন। এ রীতি সাইদুর রহমান থেকে মিজারুল কায়েস পর্যন্ত বলবৎ ছিলো। এর পরে যিনি ছিলেন এবং বর্তমানে যিনি রয়েছেন তাদের বেলায় দেখা গেছে এর ব্যতিক্রম।

বর্তমান হাই কমিশনারকে গেলো নভেম্বরে বিজয়ফুল কর্মসূচির পক্ষ থেকে অফিসিয়াল ই-মেইল যোগে দুইবার আমন্ত্রণ পাঠানো হয়। সেই সাথে ফোনেও হাই কমিশনার বা ডেপুটি হাই কমিশনার কিংবা হাই কমিশনের কোন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন কিনা জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়। বিস্ময়করভাবে সেই ই-মেইলের কোন উত্তর পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয় বিজয়ফুল কর্মসূচি। এতে করে বিজয়ফুল কর্মসূচির সাথে যুক্ত মুক্তিযোদ্ধারাও বিস্ময়প্রকাশ করেছিলেন। ফলে প্রশ্ন থেকেই যায় নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করতে যে আয়োজন, তাতে হাই কমিশনারের এতো অনাসক্তি কেনো?

দুই.
বাংলা ভাষার প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল বাংলা টিভি প্রতি বছর সতেরো সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রসারে পিঠামেলার আয়োজন করে। এতেও প্রধান অতিথি হিসেবে হাই কমিশনারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দায়িত্বশীল এই পদ থেকে কোন ধরনের ফিরতি ইমেইল পায় নি বাংলা টিভি। পরে সে উৎসবে বাংলা সংস্কৃতির প্রসারে টাওয়ার হ্যামেটস কাউন্সিলের মেয়র (ইংরেজ) জন বিগস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন। কিন্তু বাঙালী হাই কমিশনার উপস্থিত হওয়া তো দূরে থাক ই-মেইলের কোন উত্তর দেয়া থেকেও বিরত থাকেন।

এক্ষেত্রে এমন একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির দায়িত্বের প্রতি আন্তরিকতার ঘাটতি প্রকটভাবে পরিলক্ষিত।

প্রসঙ্গক্রমে এ দু‘টি বিষয় উত্তাপন করলাম এজন্য যে, লন্ডনের বাংলাদেশ মিশনে স্বাধীনতা কিংবা বাংলাদেশ বিরোধী কোন অপচিন্তার বিষবৃক্ষ মাথা উঁচু করে থাকে তাহলে সংকট অব্যহতই থাকবে। এ বিষয়ে সরকারের শুদ্ধি অভিযানের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি।

এছাড়া বর্তমানে লন্ডনের বাংলাদেশ হাই কমিশন স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো থেকেও অনেকটা বিচ্ছিন্ন অবস্থান তৈরী করেছে। সম্প্রতি প্রেস মিনিস্টার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার পর থেকে এ ক্ষেত্রে বিরাজ করছে শূন্যতা। প্রেস মিনিস্টার থাকাকালীন সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের খবর ঘুম থেকে জেগেই ই-মেইলে পেতাম। এখন সে সুযোগ নেই। বিএনপি যে তান্ডব চালিয়েছে তার খবর পাই সামাজিক মাধ্যমে। হাই কমিশন থেকে ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমকে জানানোতো দূরে থাক এ বিষয়ে কোন বিবৃতিও দেয় নি।

এতে করে লন্ডন হাই কমিশনের উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা আগামীতে আরো সংকট তৈরী করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। বিএনপি কর্মীরা কোন অনুমতি ছাড়াই সদর দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধুর ছবি বাইরে নিয়ে যায় কিভাবে?

নিরাপত্তার কারণে সদর দরজাটি সব সময় বন্ধ থাকে জানি। বিএনপি কর্মীরা যখন বিক্ষোভ করছিলো তখন কেনো সেই দরজা খোলা ছিলো, সে প্রশ্ন করাও অবান্তর নয়। আমি মনে করি এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা উচিত। শর্ষের মধ্যে যদি ভূত থাকে তাহলেতো সংকটের শেকড় খোঁজা দূরূহ হবে।

লেখক: মিলটন রহমান, কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক
e-mail:milton.rahman07@gmail.com

 

 
মতান্তরে প্রকাশিত মিলটন রহমান এর সব লেখা
 
.


আলোচিত সংবাদ