টেক্সাসে ভয়াবহ হামলাকারী কে এই শ্বেতাঙ্গ যুবক?

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

টেক্সাসে ভয়াবহ হামলাকারী কে এই শ্বেতাঙ্গ যুবক?

পরিবর্তন ডেস্ক ১:০৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৪, ২০১৯

টেক্সাসে ভয়াবহ হামলাকারী কে এই শ্বেতাঙ্গ যুবক?

আমেরিকার টেক্সাসের অঙ্গরাজ্যের এল পাসো শহরের একটি ওয়ালমার্ট স্টোরে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে ২১ বছর বয়সী এক যুবক। এতে অন্তত ২০ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে।

মার্কিন গণমাধ্যমগুলো সিসিটিভি ফুটেজের বরাত দিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, কালো রংয়ের টিশার্ট পরিহিত ওই যুবক অ্যাসল্ট ধরনের রাইফেল হাতে হামলা চালাচ্ছে।

হামলার পর মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই যুবককে আটক করতে সক্ষম হয়। সন্দেহভাজন হামলাকারী উল্লেখ করে মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই যুবকের নাম প্যাট্রিক ক্রসিয়াস। সে এল পাসো থেকে ৬৫০ মাইল পূর্বে অবস্থিত অ্যালেন শহরের বাসিন্দা।

সিএনএন বলছে, স্থানীয় ম্যাক কিন্নির জেলা প্রেসিডেন্ট ড. নেইল ম্যাটকিন জানিয়েছেন, ২০১৭-২০১৯ সাল পর্যন্ত কলিন কলেজে পড়াশোনা করেছে ওই যুবক।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, টেক্সাসের এল পাসো শহরে আজ বন্দুক হামলার খবর শুনে আমরা খুবই দুঃখিত ও হতাশ। কলিন কলেজে ২০১৭ সালের শরৎ থেকে ২০১৯ সালের বসন্ত পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে প্যাট্রিক ক্রসিয়াস।

হামলার তদন্তে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে কলিন কলেজ সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, হামলার উদ্দেশ্য জানতে কয়েক দিন আগে অনলাইনে পোস্ট করা ক্রসিয়াসের একটি লেখা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রশাসনের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, হামলার কয়েক দিন আগে অনলাইনে পোস্ট করা একটি লেখা পর্যালোচনা করে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ওই লেখাটি ক্রসিয়াস লিখেছে বলে ধারণা করা হলেও তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ওই লেখাটির বিষয়বস্তু কী তা জানানো হয়নি।

অন্যদিকে, শপিং মলে বন্দুকধারীর হামলার ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টুইট বার্তায় তিনি বলেন, এল পাসোর ঘটনা অতি পীড়াদায়ক। এতে অনেকের প্রাণ ঝরেছে।

ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শ্বেতাঙ্গদের দেশ’ বলে একটি ধারণা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন, কারণ তিনি নিজেও একজন শ্বেতাঙ্গ। তার ধারণা মতে, দেশটিতে বসবাসরত অন্যান্য জাতি-গোষ্ঠীর লোকজন অনাকাঙ্ক্ষিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের গৃহীত নীতির কারণেই উগ্র শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীরা অ-শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে উস্কানি পাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, কয় দিন আগেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেশটির কংগ্রেসের আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ ও মুসলিম সদস্যদের নিজ দেশে চলে যেতে বলেছেন। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও হয়েছে।

আরপি
আরও পড়ুন...
টেক্সাসে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত অন্তত ২০

 

উত্তর আমেরিকা: আরও পড়ুন

আরও