হামজা বিন লাদেন মারা গেছেন- দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

ঢাকা, ২৬ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

হামজা বিন লাদেন মারা গেছেন- দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ০১, ২০১৯

হামজা বিন লাদেন মারা গেছেন- দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

মার্কিন গোয়েন্দারা দাবি করেছে, আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের ছেলে হামজা বিন লাদেন মারা গেছেন।

তবে বেনামী সূত্র থেকে উল্লেখ করা ওই খবরে হামজা বিন লাদেনের মারা যাওয়ার জায়গা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা কিংবা তার মৃত্যুর তারিখ সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি।

গত ফেব্রুয়ারিতে তার সম্পর্কে খোঁজ দেয়ার জন্য ১০ লাখ ডলার পুরষ্কার ঘোষণা করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

হামজা বিন লাদেন, যার আনুমানিক বয়স ৩০ বছর, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের ওপর হামলার আহ্বান জানিয়ে অডিও এবং ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন।

বিবিসি বলছে, তার মৃত্যুর খবর প্রথম দেয় মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি ও নিউ ইয়র্ক টাইমস।

গত বুধবার সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলেও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অসম্মতি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টনও এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি।

২০১১ সালে পাকিস্তানে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর হাতে নিজের বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ‘জিহাদি’দের আহ্বান জানিয়েছিলেন হামজা বিন লাদেন।

আরব উপত্যকার বাসিন্দাদের বিদ্রোহ ঘোষণা করারও আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। মার্চে তার নাগরিকত্ব বাতিল করে সৌদি আরব।

ধারণা করা হয় যে, ইরানে গৃহবন্দী ছিলেন তিনি। কিন্তু অন্যান্য অনেক সূত্র মতে, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও সিরিয়াতেও তার বসবাসের খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগের দাবি, ২০১১ সালে অ্যাবোটাবাদে তার বাবার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে যে নথি জব্দ করা হয়েছে সে অনুসারে আল কায়েদার নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিল তার।

এ ছাড়া আরেক জ্যেষ্ঠ আল কায়েদা নেতার মেয়ের সাথে তার বিয়ের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। বিয়েটি ইরানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

তার শ্বশুর ছিল আব্দুল্লাহ আহমেদ আব্দুল্লাহ বা আবু মুহাম্মদ আল মাসরি। ১৯৯৮ সালে তানজানিয়া এবং কেনিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হামলার পেছনে জড়িত ছিল আল কায়েদা সংগঠন। তবে গত দশকে আইএস মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে আল কায়েদার নামডাক কমে যায়।

আরপি

 

উত্তর আমেরিকা: আরও পড়ুন

আরও