‘ট্রাম্প অযোগ্য’: ব্রিটিশ দূতের ফাঁস হওয়া মেইল নিয়ে তোলপাড়

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

‘ট্রাম্প অযোগ্য’: ব্রিটিশ দূতের ফাঁস হওয়া মেইল নিয়ে তোলপাড়

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:৩০ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৮, ২০১৯

‘ট্রাম্প অযোগ্য’: ব্রিটিশ দূতের ফাঁস হওয়া মেইল নিয়ে তোলপাড়

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের ফাঁস হওয়া মেইল থেকে জানা গেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তিনি ‘অযোগ্য’ ও তার প্রশাসনকে তিনি ‘অকার্যকর’ মনে করেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘রাষ্ট্রদূত ভালোভাবে ব্রিটেনের সেবা করেনি, এটুকু আমি বলতে পারি।’

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ডারোক তার ইমেইলে বলেন, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজ ‘তুলনাহীন রকম অকার্যকর’ এবং ‘বিভক্ত’।

ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী লিয়াম ফক্স বিবিসিকে বলেন, মেইল ফাঁস হওয়ার এই ঘটনা ‘অপেশাদার, অনৈতিক ও দেশপ্রেমহীন’।

তিনি বলেন, যেই এই মেইল ফাঁস করে থাকুক না কেন, সে ‘বিদ্বেষপূর্ণভাবে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্রিটেনের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে তিনি ব্রিটেনের জন্য ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক’ সম্পর্ক হিসেবে অভিহিত করেন।

ইমেইল ফাঁস হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ফক্স।

অন্যদিকে, নিউজার্সিতে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ওই লোকটাকে খুব একটা পছন্দ করি না এবং তিনি ভালোভাবে ব্রিটেনের জন্য কাজ করেন নি। আমি তার বিষয়টা বুঝেছি এবং আমি তার সম্পর্কে নানান কথা বলতে পারি, কিন্তু আমি এটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না।’

ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মেইল ফাঁস হওয়ার ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে।

ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হান্ট বলেছেন, ডারোকের ইমেইলে তার ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ পেয়েছে, ব্রিটিশ সরকারের নয়। রাষ্ট্রদূতের কাজ হচ্ছে, তিনি যেখানে নিযুক্ত সেই জায়গা সম্পর্কে তিনি যা ভাবেন ঠিক তাই তার সরকারকে জানানো এবং ডারোক সেটাই করেছেন।

হান্ট আরও বলেন, ব্রিটেনের সরকার ট্রাম্পের প্রশাসনকে শুধু উচ্চমাত্রায় দক্ষই মনে করে না, এটা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্রিটেনের সবচেয়ে ভালো বন্ধুও।

এমআর/এইচআর

 

উত্তর আমেরিকা: আরও পড়ুন

আরও