ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরও উত্তর কোরিয়ার ওপর ‘আস্থাশীল’ ট্রাম্প

ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬

ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরও উত্তর কোরিয়ার ওপর ‘আস্থাশীল’ ট্রাম্প

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:০৯ অপরাহ্ণ, মে ২৬, ২০১৯

ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরও উত্তর কোরিয়ার ওপর ‘আস্থাশীল’ ট্রাম্প

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা স্থবির হয়ে যাওয়ার পরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির নেতা কিম জন উনের প্রতি তার আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

রোববার ট্রাম্প টুইটারে বলেন, উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরও তিনি কিমের প্রতি ‘আস্থাশীল’।

বর্তমানে ট্রাম্প এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ সহযোগীর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে জাপান সফরে রয়েছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ট্রাম্প আরও বলেছেন, কিম উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ব্যবহার করে তাকে ‘সংকেত’ দিচ্ছেন। এতে কিম বলছেন সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একটা আহাম্মক ও ‘অত্যন্ত নিচু বুদ্ধিমত্তার লোক’ কারণ তিনি কিমের সমালোচনা করতেন।

টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া ছোট কিছু অস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে, যা নিয়ে আমার কিছু লোক ও অন্যান্যরা চিন্তিত, কিন্তু আমি চিন্তিত নই।’ মে মাসের শুরুতে ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করে ট্রাম্প একথা বলেন।

শনিবার ট্রাম্প জাপানে অবতরণের আগে তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, পিয়ংইয়ংয়ের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা জাতিসংঘের নিরপত্তা পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব লঙ্ঘন করেছে এবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই, তার পরও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহী।

কিন্তু ট্রাম্প টুইটে বলেন, ‘চেয়ারম্যান কিম আমাকে তার দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন, সেই ভরসা আমার আছে। জো বাইডেনকে নিচু বুদ্ধিমত্তার লোক ও তার চেয়ে খারাপ বলার সময় উনি হেসেছিলেন। উনি কি আমাকে কোনও সংকেত দিচ্ছিলেন?’

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনার অন্যতম ইস্যু হচ্ছে উত্তর কোরিয়া।

গত ৪ মে এক মহড়ার পর ৯ মে দুটি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে উত্তর কোরিয়া।

২০১৭ সালে বহির্বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ শুরুর করার পর এগুলোই ছিল উত্তর কোরিয়ার প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা।

ট্রাম্প কিমের সঙ্গে ২০১৮’র জুনে সিঙ্গাপুরে এবং এবছর ফেব্রুয়ারিতে হ্যানয়ে দুটি বৈঠক করলেও কোরীয় উপত্যকাকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত পৌঁছানো যায়নি।

এমআর/এএসটি