অজয় রায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, বুধবার, ২২ জানুয়ারি ২০২০ | ৯ মাঘ ১৪২৬

অজয় রায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৬:০৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯

অজয় রায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. অজয় রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও বীর মুক্তিযোদ্ধার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও একুশে পদক জয়ী অধ্যাপক ড. অজয় রায়।

ড. অজয় রায় ১৯৩৫ সালের পয়লা মার্চ দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ৮৫ বছর বয়সী এই অধ্যাপক জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ২৫ নভেম্বর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন। গত এক সপ্তাহ তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

স্কুল এবং কলেজজীবনে ড. অজয় রায় পড়াশোনা করেছেন দিনাজপুরে। ১৯৫৭ সালে এমএসসি পাস করে যোগ দেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে। তিনি ১৯৫৯ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন।

তিনি ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের লিডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৭ সালে সেখানেই করেন পোস্ট ডক্টরেট। ১৯৬৭ সালে শিক্ষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় যোগদান করেন এবং অবসর নেয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই কর্মরত ছিলেন।

শিক্ষা আন্দোলন মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক অজয় রায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতাদেরও একজন। বর্তমানে তিনি নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা।

একুশে পদকপ্রাপ্ত পদার্থবিদ অজয় রায়ের দুটি গবেষণা নোবেল কমিটিতে আলোচিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অবসরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির ইউজিসি অধ্যাপকও ছিলেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা অজয় রায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল ভাষা আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানেও।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে ব্লগার-লেখক অভিজিৎ রায় ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিরতে জঙ্গিদের হামলায় নিহত হন।

এসইউজে/এমকে

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও