শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৫৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৯

শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার সকালে শিখা অনির্বাণের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

পরে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকষ দল রাষ্ট্রপতিকে অভিবাদন জানায়। রাষ্ট্রপতি সেখানে রক্ষিত পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি শিখা অনির্বাণে এসে পৌঁছালে তিন বাহিনী প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের ‘শিখা অনির্বাণে’ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে এই শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণের বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের মহান আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানোর অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী এবং বিমান বাহিনীর বাছাইকৃত চৌকষ সদস্যের একটি দল এ সময় গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিখা অনির্বান চত্বরে সংরক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এরআগে, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বানে এসে পৌঁছলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আবু মোজাফ্ফর মহিউদ্দিন মোহাম্মাদ আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবত এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

শিখা অনির্বানে শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যান, যেখানে তিন বাহিনী প্রধানগণ তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীকে পিএসও এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালকগণ অভ্যর্থনা জানান।

১৯৭১ সালের এইদিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক হামলা শুরু করে। স্বাধীনতার পর এই ঐতিহাসিক দিনে প্রতি বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়ে আসছে।

এসবি

আরও পড়ুন...
সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও