চালের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, দাম বাড়ার কারণ নেই: খাদ্যমন্ত্রী

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

চালের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, দাম বাড়ার কারণ নেই: খাদ্যমন্ত্রী

সচিবালয় প্রতিবেদক ১:৪২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০১৯

চালের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, দাম বাড়ার কারণ নেই: খাদ্যমন্ত্রী

চালের পর্যাপ্ত মজুদ আছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চালের দাম বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই। স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্ত অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে চিঠি দেয়া হয়েছে। কেউ অহেতুক চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চালের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা সভার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের চালের কোন ঘাটতি নেই, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। চাল আমদানির দরকার নেই, আমরা চাল রপ্তানির জন্য প্রস্তুত আছি। তাই দাম বৃদ্ধির কোন কারণ নেই। চালের দাম বাড়ালে কোন ক্রমেই সহ্য করব না, প্রশ্রয় দেবো না।

তিনি বলেন, চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে পাইকারি ব্যবসায়ীদের আনুরোধ করব সেটি মনিটর করতে। কারণ খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চালে ৫ থেকে ৬ টাকা লাভ করে বিক্রি করছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরাও কেজিতে ৫০ পয়সার বেশি লাভ করতে পারেন না, যদি বেশি নেন তাহলে বুঝব সেবা করতে নয় তারা শোষণ করতে বসেছেন। খুচরা বাজার আপনাদের কন্ট্রোল করতে হবে। সেটির দায়-দায়িত্ব আপনাদের উপরও বর্তায়। চালের দাম বাড়বে না, বরং আগের পর্যায়ে নিয়ে আসবেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ১১ লাখ ১২ হাজার মেট্রিক টন শুধু সরকারি গুদামে চাল মজুদ আছে। চালের দাম মনিটরিংয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম খুলেছি। ভোক্তা অধিকার আইনের মধ্য দিয়ে যা করা দরকার তা করা হবে। ভোক্তা অধিকারকে বলব জরুরি ভিত্তিতে আপনারা মাঠে নামেন।

সাধন চন্দ্র বলেন, ধানের দাম যেহেকু কম, চালের দামও কম হবে। মধ্যসত্ত্বভোগীরা সুবিধা নেবে সেটা চলবে না। সরকারি রেটে ধান কেনার কথা মনপ্রতি ১ হাজার ৪০ টাকায়। সেই অনুপাতে চালের বাজার থাকতে হবে ৪০ টাকা, লাভসহ ৪২ টাকা হতে পারে। কিন্তু ধানের দাম ১ হাজার ৪০ টাকায় কিনছেন না ব্যবসায়ীরা, তারা কৃষকের ন্যায্য মূল্য দেবেন না, চালের দাম বাড়াবেন তা হবে না।

আগামি ১০ দিন পরিবহন ধর্মঘট থাকলেও চালের বাজারে প্রভাব পড়বে না বলেও জানান তিনি।

এসএস/এসবি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও