১৫ দিনের মধ্যে ৪৭৫০ চিকিৎসক নিয়োগ: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

১৫ দিনের মধ্যে ৪৭৫০ চিকিৎসক নিয়োগ: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৮:০৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৯

১৫ দিনের মধ্যে ৪৭৫০ চিকিৎসক নিয়োগ: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫০ জন চিকিৎসক নিয়োগ হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব জানান।

নতুন নিয়োগের ফলে প্রতি উপজেলায় ৯ থেকে ১০ জন করে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ হবে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে উত্তীর্ণ এসব ডাক্তারদের ফাইলটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে এখন রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় জনবল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন, সেটা সবাই উপলব্ধি করছি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পিএসসি ও বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৪৭৫০ জন ডাক্তার উত্তীর্ণ হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যে, আশা করি ১৫ দিনের মধ্যে সেটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করার পর নিয়োগ হবে।

‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরে এলেই অনুমোদন করবেন। এসব ডাক্তারের মধ্যে ৪ হাজার ৫শ জনের বেশি ডাক্তার দেশের বিভিন্ন উপজেলায় পদায়ন করা হবে।’ জানান প্রতিমন্ত্রী।

‘এবার প্রতি উপজেলাতে ৯-১০ জন করে চিকিৎসক পেতে যাচ্ছি। পর্যাপ্ত সংখ্যক নার্স নিয়োগ হয়েছে।’ যোগ করেন তিনি।

নিজের এলাকার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমার ওখানে আগে ৩৮ জন নার্স ছিল এখন ১৭৭ জন। কাজেই নার্সের ক্ষেত্রে আমাদের জনবল সন্তোষজনক অবস্থায়।’

মুজিবুল হক চুন্নুর অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আসলে এমপি হিসেবে আমাদের জবাবদিহি করতে হয়। হাসপাতালে পরিপূর্ণভাবে চিকিৎসাসেবা দিতে পারছি কি না। যে চিত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা অনেকাংশে অনেক জায়গায় সত্য। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অ্যাটাচমেন্টের বিষয়টি কড়াকড়ি করা হয়েছে। কোনো অ্যাটাচমেন্ট দেয়া হচ্ছে না। উপজেলাতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা নতুন যোগদান করেন তাদের একটি শর্ত রয়েছে। চাকরির শুরুতে দুই বছর উপজেলা পর্যায়ে সেবা দিতে হবে।’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ‘৩৯তম স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে যারা যোগদান করতে যাচ্ছেন অল্প সময়ের মধ্যে তারা যেন প্রথম দুই বছর যেখানে যাকে দেয়া হবে সেখানে থাকেন। তারপর উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তারা আসতে পারবেন। সে বিষয়ে আমি নিজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি।’

এইচকে/এইচআর

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও