পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসেমকে জিজ্ঞাসাবাদ

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসেমকে জিজ্ঞাসাবাদ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:৪০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৯

পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসেমকে জিজ্ঞাসাবাদ

রাজধানীর গুলশানে প্লট দখল, রাজউকের জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ব্যবসা বহির্ভূত প্রচুর লেনদেনের অভিযোগে পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ হাসেমকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ৩টায় তিনি কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হলে দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মোশারফ হোসেইন মৃধা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এর আগে গত বছরের ২১ অক্টোবর একই অভিযোগে তাকে ছয় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা।

এমএ হাসেমকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর নোটিস দিয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর তলব করা হয়েছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ওইদিন তিনি হাজির না হয়ে এক মাসের সময় চেয়ে দুদকে আবেদন করেন। এরপর তাকে ২১ অক্টোবর তলব করে আবারো নোটিস পাঠান অনুন্ধান কর্মকর্তা মোশারফ হোসেইন।

এমএ হাসেমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি, বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা ও সরকারের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি দখলসহ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার পৃথক আরো একটি অভিযোগ রয়েছে দুদকের হাতে।

এছাড়া পারটেক্স গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে স্বল্পমূল্যে পণ্য আমদানি করে নথিতে বেশি দাম দেখিয়ে তিনি শত শত কোটি টাকা বিদেশ পাচার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ হাসেম ও তার দুই ছেলেকে এর আগে চিনি আমদানিতে দুর্নীতির একটি অভিযোগে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল দুদক। তামাক দিয়ে ব্যবসা শুরু করা হাসেম গত পাঁচ দশকে তার বাণিজ্যের বিস্তার ঘটিয়েছেন আবাসন, আমদানি-রপ্তানি, পার্টিকেল বোর্ড, ইস্পাত, প্লাস্টিক, ভোগ্যপণ্য, ব্যাংক-বীমাসহ বিভিন্ন খাতে।

২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং নোয়াখালী-২ (বেগমগঞ্জ-সোনাইমুড়ী) আসনের এমপি নির্বাচিত হন। ওই সরকারের মেয়াদ শেষে রাজনৈতিক পালাবদলের মধ্যে রাষ্ট্রক্ষমতা চলে যায় সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। আরও অনেক ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদের মতো তখন হাসেমও গ্রেপ্তার হন।

পরের বছর জামিনে মুক্তির পর বিএনপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এই ব্যবসায়ী। প্রায় আট বছর রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় থাকার পর ২০১৬ সালে বিএনপি মহাসচিবকে চিঠি দিয়ে তিনি পদত্যাগের কথা জানান।

এফএ/এইচআর

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও