গ্যাসে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গ্যাসে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৬:৫৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০১৯

গ্যাসে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

গ্যাসে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুতি দিতে হচ্ছে জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ ২০০৯ হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সিএনজি গ্যাসের মূল্য ছয়বার এবং গৃহস্থালি বিদ্যুৎ ও সার খাতে চারবার গ্যাসের দাম বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শিল্প ও ক্যাপটিপ পাওয়া, চা ও বাণিজ্যিক খাতে পাঁচবার বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের পহেলা জুলাই দুই বছর পর সব শ্রেণির গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

সোমবার জাতীয় সংসদে গোলাপ মোহাম্মদ সিরাজ (বগুড়া-৬) এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান তিনি।

এর আগে বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

এমপি সৈয়দ আবু হোসেনের (ঢাকা-৪) প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান, ‘আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালি কাজে ব্যবহারের জন্য গ্যাস সংযোগের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে হাসপাতলে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কারাগারে গৃহস্থালি কাজে গ্যাস সংযোগ দেয়া অব্যাহত রয়েছে। কল কারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস ব্যবহারের ফলশ্রুতিতে খরচের তিনগুণ অর্থ ভ্যাট-ট্যাক্স হিসাবে আয় হচ্ছে। প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গৃহস্থালিতে বিকল্প জ্বালানির সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে বাসাবাড়িতে পাইপলাইন গ্যাসের পরিবর্তে এলপিজি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।’

বিএনপির এমপি হারুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান, ‘রাজধানীতে কোথাও বিদ্যুৎ ওঠা-নামা করে না। আজকেও প্রায় পাঁচ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ অতিরিক্ত আছে আমার কাছে।’

নসরুল হামিদ জানান, ‘২০০৯ সালে বিএনপি-জামায়াত আমলে ঢালাওভাবে গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়। তখন কোনো মাস্টারপ্লান করা হয়নি। সেসময় বিদ্যুৎক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহ চিন্তা না করায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল মাত্র ৩৪০০ মেগাওয়াট। মাত্র ৪৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় ছিল।’

বর্তমানে উৎপাদন ২২ হাজার মেগাওয়াট এবং ৯৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে এবং আগামী ২০২০ সালে ১০০ শতাংশ মানুষ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

এইচকে/এইচআর

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও