‘জাবিতে যারা অরাজকতা করছেন সবাইকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে’

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

‘জাবিতে যারা অরাজকতা করছেন সবাইকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে’

সচিবালয় প্রতিবেদক ৪:২৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৯, ২০১৯

‘জাবিতে যারা অরাজকতা করছেন সবাইকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে’

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, দেশে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তি মাঠে নেমেছে। তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এখন ষড়যন্ত্রকারীরা বিশৃঙ্খলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বেছে নিয়েছে। এজন্য আমি বলতে চাই অপরাধ সংগঠনের আগে তদন্ত শুরু না হতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা অরাজকতা করেছেন তাদের সবাইকে আইনের সম্মুখীন হতে হবে।

শনিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই আন্দোলনকে দূর থেকে কেউ কেউ ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি কিছু কিছু রাজনৈতিক দল যারা এসব আন্দোলনকারীদেরকে তাদের আদর্শিক অবস্থান জনগণের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করতে না পেরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বেছে নিয়েছে। এরা অনেকেই অনেক কিছুতে জনগণের আস্থা না পেয়ে রাজধানীর সড়ক বন্ধ করা থেকে শুরু করে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, অনেক বিষয়ে তারা সরকারবিরোধী আন্দোলনে হালে পানি পায়নি। এমন অনেকেই আমাদের শিক্ষকমণ্ডলী এবং সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিভ্রান্ত করে তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। এসব খবর আমাদের কাছে আছে। অনেক কিছুই সরকার জেনেও অনেকের সম্মানের দিকে তাকিয়ে অনেক সিদ্ধান্ত নেয় না। কারা এখানে ইন্ধন দিচ্ছে, কারা আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছে, কাদের কাছ থেকে আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে আমরা সেটা কিন্তু জানি।

তিনি বলেন, স্বচ্ছতা জবাবদিহিতার বিষয়টি ছাড়িয়ে গিয়ে আন্দোলনকারীদের আন্দোলন অনেকাংশে উপাচার্যের পদত্যাগের দিকে চলে গেছে। আমরা বারবার বলেছি উপাচার্যের পদত্যাগের আন্দোলনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের যে মূল লক্ষ্য তা বাস্তবায়ন হয়না।

উপমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে দুঃখের বিষয় জনগণের অর্থে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনের নামে শিক্ষাবর্ষ নষ্ট করে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাজীবন শঙ্কায় ফেলে তাদেরকে সেশন জটের মধ্যে ফেলে এবং তাদের শিক্ষা জীবনকে দীর্ঘায়িত করা শিক্ষা ব্যবস্থাকে নষ্ট করার শামিল। সেই ধরনের অপচেষ্টা এসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। এটা আমরা মেনে নিতে পারবো না। 

উপমন্ত্রী বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার পরেও সেদিন আন্দোলনের নামে তালা ভেঙ্গে অরাজকতা করা হয়েছে। আমি আন্দোলনকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি তারা আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তাদের দাবীর বিষয়ে প্রস্তাব করবেন। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল কোনো প্রস্তাব উপস্থাপন না করে তারা গভীর রাতে সম্মানিত উপাচার্যের বাসভবনের সামনে তারা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

এসএস/এএসটি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও