অপরাধীর মদদদাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

অপরাধীর মদদদাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

সচিবালয় প্রতিবেদক ৩:৪৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

অপরাধীর মদদদাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

অভিযানে যারা ধরা পড়ছে তাদের সঙ্গে যদি কোনো প্রভাবশালীর সখ্যতা থাকে বা অপরাধীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘তবে বর্তমানে কিছু প্রভাবশালী যেসব কথা বলেছে তাদের কথাগুলো স্টিল নাউ নট ভেলিডেটেড।’

রোববার সচিবালয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযানে ধরা পড়া অপরাধীদের মদদদাতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা এমন প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফখরুল সাহেব যেটা বলেছেন কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসছে। সেটা আমি বলবো ওনাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান (তারেক রহমান), উনিতো বড় অজগর সাপ। যা সামনে আসে তাই জ্যান্ত গিলে ফেলেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এটির জন্য বিএনপির উচিত সরকারকে সাধুবাদ জানানো। যেখানে মাদক, ক্যাসিনো বা অনিয়ম হচ্ছে সেখানে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে অপরাধী কোন মতের সেটা দেখা হচ্ছে না।’

‘তারেক রহমান হাওয়া ভবন বানিয়ে প্রত্যেক কাজে ১০ শতাংশ কমিশন নিতো, সেখানে ফূর্তি করা হতো। সেই জায়গায় প্রধানমন্ত্রী এসব ইস্যুতে জিরো টলারেন্স নীতিতে অগ্রসর হচ্ছেন। এখানে বিএনপির খুশি হওয়ার কথা। আর তাদের ব্যার্থতার জন্য লজ্জা পাওয়ার কথা।’ যোগ করেন মন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রশ্ন করবো তাদের দলের যে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান যেভাবে সবকিছু গিলে ফেলে। সেই ভারপ্র্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে সেই জায়গায় রেখে, আর নিজেরা বাংলাদেশকে পরপর দুর্নীতিতে পাঁচবার চাম্পিয়ন বানিয়ে এসব নিয়ে তাদের কোনো নৈতিক সুযোগ নেই।’

তিনি জানান, ‘আমরা পরপর তৃতীয়বার সরকারে থাকার কারণে আমাদের দলে অনেক অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে। তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।’

ভারত সফর নিয়ে যা বললেন তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও কলকাতা প্রেসক্লাব’ শিরোনামে একটি পুস্তিকা বের করেছে তারা। সেখানে অনেক সাংবাদিক যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় ওয়ার করেসপন্ডেন্ট হিসেবে কাজ করেছে তারা অনেকে লিখেছে সেখানে। এটি মুক্তিযুদ্ধের অসাধারণ একটি দলিল। বইটির মোড়ক উন্মোচন করেছে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেটির ওপর একটি আলোচনা হয়েছিল সেখানে আমাকে প্রধান অতিথি হিসেবে ডাকা হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘সেখানে চমৎকার এক অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধকালীন যারা সাংবাদিককতা করেছেন তাদের অনেকে সেখানে উপস্থিত ছিল। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। সেই সরকারের প্রায় সব সদস্য এবং ভারতের সাংবাদিকরা এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিকসহ সবাই কিন্তু কলকাতা প্রেসক্লাব থেকে ভোর রাতে যাত্রা শুরু করেছিল। সেদিন যারা যাত্রা শুরু করেছিল তারা কেউ জানতো না যে তারা কোথায় যাচ্ছে।’

‘সুতারাং কলকাতা প্রেসক্লাবের একটি বড় ভূমিকা ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে। আগামী বছর নাগাদ ত্রিপুরার সঙ্গে আমাদের রেল লিংক সেটা চালু হবে। এই রেল লিং ত্রিপুরা দিয়ে চালুর কাজ চলছে। সেখানে ভারত ও আমাদের অংশে যেখানে রেল লিংকের কাজ চলছে সেটা নিজে চোখে আমি দেখে এসেছি।’

তথ্যমন্ত্রী আরো জানান, বঙ্গবন্ধুর স্মরণে ত্রিপুরায় একটি রাস্তা করার বিষয়ে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন। মেঘালয়েও গিয়েছিলাম সেখানেও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাচনা হয়েছে। সেখানেও মুজিববর্ষ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা উন্মুখ হয়ে আছে তাদের সঙ্গে আমাদের রেল কানেকটিভিটি কত তাড়াতাড়ি আরও উন্নত হয়। তারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরাট ভূমিকা রেখেছে।

এসএস/এইচআর

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও