‘ঢাকায় চলাচলরত রিকশার কোনো পরিসংখ্যান নেই’

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

‘ঢাকায় চলাচলরত রিকশার কোনো পরিসংখ্যান নেই’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১১:০৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

‘ঢাকায় চলাচলরত রিকশার কোনো পরিসংখ্যান নেই’

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ঢাকা মহানগরীতে দক্ষিণ সিটির ইস্যু করা রিকসার সংখ্যা ৫২ হাজার ৭১২টি এবং উত্তর সিটির ২৭ হাজার ৩৯৭টি। এ হিসেবে দুই সিটিতে বৈধ রিকশা ৮০ হাজার ১০৯টি রিকশা চলাচল করছে। বর্তমানে চলাচলরত রিকশার কোনো পরিসংখ্যান নেই।

জাতীয় সংসদে হাজী মো. সেলিমের করা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।

আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহের অর্জিত কাভারেজ ৮৭ শতাংশ। দেশের শতকরা ৮৭জন মানুষ নিকটবর্তী উৎস হতে নিরাপদ পানি সংগ্রহ করে থাকে। অবশিষ্ট ২ কোটি মানুষ দূরবর্তী উৎস হতে পানি সংগ্রহ করে তাই এখনো নিরাপদ পানি ব্যবহারে কাভারেজে আন্তর্ভুক্তি হয়নি। বুধবার নোয়াখালী-২ আসনের এমপি মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পানির সিস্টেম লস ২০ শতাংশ। তবে, ঢাকা মেট্টো এলাকায় সিস্টেম লস (ডিএমএ) মাত্র ৫-৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগে ৪০ ভাগ পর্যন্ত ছিল।

তাজুল ইসলাম বলেন, রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত মানুষের দৈনিক পানির চাহিদার পরিমাণ ২২০ থেকে ২৪৫ কোটি লিটার। ঢাকা ওয়াসার উৎপাদন সক্ষমতা হচ্ছে ২৫৫ কোটি লিটার।

এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, এলজিইডির সহায়তায় ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২৬৬.৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাসস্থান কাজ গত বছরে শেষ হয়েছে। এছাড়া ওই প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় ১০৪টি বাসস্থান নির্মাণ করেছে।

মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, এসডিজির লক্ষ্যমাত্র মোতাবেক ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ পানির কাভারেজ ১০০ শতাংশ (প্রতি ৫০ জনের জন্য ১টি উৎস) নিশ্চিত করা হবে।

মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সকল ওর্য়াডে নির্ধারিত কমপরিকল্পনা অনুযায়ী বছরব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এই বছরে শুরুতে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধির আশংকায় মার্চ ২০১৯ থেকে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়।

হাবিব রহমানের সম্পূরক জবাবে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, নিজ নিজ এলাকার এমপিরা উপদেষ্টা এবং মতামত রাখা ও দায়িত্ব পালনের এখতিয়ার রয়েছে। যদি কোনো রাস্তায় দায়িত্বে অবহেলা কিংবা দুর্নীতির কারণে নিম্নমানের কাজ হয়ে থাকে তাহলে লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, রাস্তার সংস্কার কাজ দ্রুত করার জন্য একটা মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল এ কারণে কিছুটা ব্যত্যয় হয়ে থাকতে পারে। তবে, আগামীতে অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রুমিন ফারহানার সম্পূরক জবাবে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, নীতি-নির্ধারণী এমপিদের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ দেওয়া সংক্রান্ত এই প্রশ্নটি কেনো করা হয়। বাইরেও এ ধরনের প্রশ্ন শুনি। এমপিরা উপদেষ্টা থাকলে কাজে স্বচ্ছতা ফেরবে এবং কাজের মান ভালো হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবদান রাখলে শিক্ষার মান ভালো হয়। উপজেলা পর্যায়ে এমপিরা উপদেষ্টা থাকায় বাঞ্জনীয়।

এইচকে/এআরই

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও