‘বঙ্গবন্ধুকে খুন করে দম্ভকারীদের নির্মূল করতে হবে’

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

‘বঙ্গবন্ধুকে খুন করে দম্ভকারীদের নির্মূল করতে হবে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৫:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৯

‘বঙ্গবন্ধুকে খুন করে দম্ভকারীদের নির্মূল করতে হবে’

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর যেসব খুনি দম্ভ দেখায়, আইনকে চ্যালেঞ্জ করে, তাদের নির্মূল করতে হবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার সদরঘাট টার্মিনাল ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে বিআইডব্লিউটিএ আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে তিনি একথা বলেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ।

খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘মানবাধিকার নেতারা আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিয়ে কথা বললেও বঙ্গবন্ধু, শিশু রাসেল, সুকান্ত বাবু এবং অন্তঃসত্বা আরজু মনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোনো মানবাধিকারের কথা বলেন না। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে কথা বলেন। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের হুকুমদাতাদের  যতদিন নির্মূল করতে পারব না, ততদিন মানবাধিকার সমুন্নত করা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘এটি একটি রাজনৈতিক আন্দোলন। এ আন্দোলনে সকলকে সম্পৃক্ত হতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু রক্ত দিয়ে আমাদের ঋণী করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘১৫ আগস্টে শুধু বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের নয়; ঘাতকরা বাংলাদেশকে হত্যা করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি জিয়া, মোশতাক গংরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পরিবর্তে ইসলামিক রাষ্ট্র করতে চেয়েছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্তম্ভকে সংবিধান থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার যাতে না হয়, সেজন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। জিয়াউর রহমান ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে পরবর্তীতে আইনে পরিণত করেন। জিয়ার সময় মুক্তিযুদ্ধের চিহ্নিত দালালদের বিচারের জন্য তৈরি করা দালাল আইন বাতিল করা হয়েছিল। খুনিদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল।’

খালিদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান রাজাকার শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী, কুখ্যাত অপরাধী জয়পুরহাটের আব্দুল আলীমকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়েছিলেন। চিহ্নিত খুনি রশিদ-ফারুক গংদের বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছেন। হাজার হাজার সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিনা বিচারে হত্যা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর খুনিরা এরশাদ, খালেদা জিয়ার সময়েও রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পায়।’

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি আইন বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার কাজ প্রশস্ত করে। সে সময়ে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের নিম্ন আদালত ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে সে বিচার কার্যক্রম আর আলোর মুখ দেখেনি।

বিআইডব্লিউটিএ’র সদরদফতর ও ঢাকা নদীবন্দরের ১৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নেন। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ ও বরিশাল নদীবন্দরে পৃথকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রক্তদান করেন।

এইচকে/আইএম

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও