রোহিঙ্গারা যেতে না চাওয়া দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

রোহিঙ্গারা যেতে না চাওয়া দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৯

রোহিঙ্গারা যেতে না চাওয়া দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গারা কেউ মিয়ানমারে ফিরে যেতে রাজি না হওয়াকে দুঃখজনক বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

আজ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনপ্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেউ ফিরে যেতে রাজি হয়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার চেয়েছে বৃহস্পতিবার থেকেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হোক। কিন্তু রোহিঙ্গারা যে যেতে চাচ্ছে না- এটা দুঃখজনক। এটা আমরা প্রত্যাশা করি না।

প্রত্যাবাসন শুরু না হলে কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এরপরও আমরা প্রক্রিয়াটা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব। আমরা জোর করে কিছু করব না।

মন্ত্রী বলেন, আমরা প্রস্তুত, আমাদের কোনো গাফিলতি নাই। আস্থার যে ঘাটতি আছে সেটা দূর করতে মিয়ানমারকেই কাজ করতে হবে। আমরা আশায় বুক বেঁধে আছি।

প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম দেখতে মিয়ানমার ও চীনের প্রতিনিধিরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে রয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কারা প্ল্যাকার্ড বা লিফলেট করে দিচ্ছে, তাদের আমরা চিহ্নিত করছি। তারা বিভিন্ন ডিমান্ড করছে। তাদের ডিমান্ডের কাছে আমরা জিম্মি হতে পারি না।

রোহিঙ্গা এখানে রয়েছে, সেকারণে ফিরে যেতে চাইছে না- এ মন্তব্যে মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সরকার অনেক টাকা খরচ করেছে। আগামীতে হয়ত এই আরাম থাকবে না।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতিসহ মিয়ানমারের রাখাইনের পরিস্থিতি ঘুরে দেখার জন্য একটা কমিশন গঠনের পরিকল্পনার কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, প্রত্যাবাসনের জন্য ৩ হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গাকে ছাড়পত্র দেয়া হয় এবং প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকায় থাকা ২৩৫ রোহিঙ্গা পরিবারের সাক্ষাৎকারও নেয়া হয়।

ইউএনএইচসিআর এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধিরা ক্যাম্পে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নেন।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম জানান, দুপুর ১টা পর্যন্ত যাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে তাদের কেউ ফিরে যেতে রাজি হননি।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম সময়সীমা ঠিক হয়েছিল। রোহিঙ্গারা রাজি না হওয়ায় সেবার একজনকেও রাখাইনে পাঠানো যায়নি।

আজও কেউ রাখাইনে যেতে না চাওয়ায় এ নিয়ে দুই দফা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের চেষ্টা দৃশ্যত ব্যর্থ হতে যাচ্ছে।

ওএস/এসবি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও