৩ শর্তে শুল্ক ছাড়া গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ পেলেন মুহিত

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

৩ শর্তে শুল্ক ছাড়া গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ পেলেন মুহিত

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:০৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০১৯

৩ শর্তে শুল্ক ছাড়া গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ পেলেন মুহিত

সংসদ সদস্য না হয়েও শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা পেয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনটি শর্তে সাবেক এই অর্থমন্ত্রীর আমদানি করা টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার জিপের শুল্ক কর অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সোমবার বিষয়টি নিয়ে এনবিআর থেকে একটি বিশেষ আদেশ জারি করা হয়েছে।

এনবিআরের  আদেশে বলা হয়েছে, আবুল মাল আবদুল মুহিত দশম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ১১তম জাতীয় সংসদে আর নির্বাচন করেননি। সেজন্য তিনি শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা প্রাপ্য না হলেও বাস্তবিক অবস্থার নিরিখে তাকে সংসদ সদস্যের মতোই শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।

এনবিআর বলছে, দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর সেকশন ২০ এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারা ১২৬(১) এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আমদানি করা গাড়িটি খালাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সমুদয় আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক হইতে তিনটি শর্তে অব্যাহতি দেওয়া হলো।

শর্ত তিনটি হলো-

এক. আমদানি করা গাড়ি আমদানির পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে অন্যত্র হস্তান্তর বা বিক্রি করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে গাড়ি আমদানির পর পাঁচ বছর পার হওয়ার আগে উক্ত গাড়ি হস্তান্তর বা বিক্রি করতে হলে হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অব্যাহতি প্রাপ্ত সমুদয় শুল্ক কর সংশ্লিষ্ট শুল্ক ভবনের কমিশনারের কাছে পরিশোধ করতে হবে।

দুই. গাড়ির রেজিস্ট্রেশন হস্তান্তর বা বিক্রির ক্ষেত্রে এনবিআরের কাছ থেকে আগে সম্মতি নিতে হবে।

তিন. গাড়ি আমদানির তারিখের পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে আমদানিকারক মারা গেলে তাহার উত্তরাধিকাররা কোনোরূপ শুল্ক কর পরিশোধ করতে হবে না। তবে শর্ত থাকে যে আমদানিকৃত গাড়ির মূল্য আমদানিকারকের উত্তরাধিকারীর নামে নাম পরিবর্তন ছাড়া অন্য কারও নামে হস্তান্তর বা বিক্রি করতে হলে এই প্রজ্ঞাপনের অধীনে অব্যাহতি প্রাপ্ত সমুদয় শুল্ক কর উক্ত গাড়ি হস্তান্তর বা বিক্রির আগে সংশ্লিষ্ট শুল্ক ভবনের কমিশনারের কাছে পরিশোধ করতে হবে।

জানা গেছে, সংসদ সদস্য থাকাকালিন শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা নেননি আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এফএ/

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও