বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বৃষ্টি আরও ৩ দিন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বৃষ্টি আরও ৩ দিন

পরিবর্তন ডেস্ক ৭:২৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জ, লালমনিরহাট ও বান্দরবানে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এসব এলাকায় প্রতিদিন নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। এছাড়া নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সড়ক, ঘরবাড়ি, ব্যবসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। এলাকার শত শত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান স্থগিত করা হয়েছে। এসব এলাকার মানুষ বর্তমানে চরম দুর্ভোগে রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে- মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় থাকায় সারাদেশে আরও ২ থেকে ৩ দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।

অতি ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ী এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

সুনামগঞ্জ:

অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জে ১৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ ষোলঘর পয়েন্টে ৯৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ শহরের বড়পাড়া, নবীনগর, উকিলপাড়া, মধ্যবাজারে সুরমা নদীর পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়াও শহরের নতুনপাড়া, বিলপাড়, ষোলঘর এলাকা অভিরাম বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর, সুরমা, গৌরারং, মোহনপুর ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামের বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকেছে।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূরুল হক জানান, তার ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের বাড়ি-ঘরের উঠানে পানি উঠেছে।

সীমান্ত নদী যাদুকাটা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় উভয় তীরের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভূঁইয়া জানান, আগামী ৩ দিন একই ধারাবাহিকতায় বৃষ্টিপাত হলে সুনামগঞ্জে বন্যা দেখা দেবে।

সুনামগঞ্জের জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল হক জানান, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, দোয়ারাবাজার ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় আড়াই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুই শত মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

তাহিরপুর:

তাহিরপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। শতাধিক গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দিন পার করছেন।

সরজমিন দেখা যায়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে অনেক বাড়ি ঘর নিমজ্জিত। অভ্যন্তরীণ সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলা সদর ও জেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে বন্ধ রয়েছে।

পানিতে নিমজ্জিত থাকায় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে বন্ধ।

পানিবন্দি শতাধিক গ্রামগুলোর মধ্যে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হলো— বালিজুরী, বড়খলা, আনোয়ারপুর, সোহালা, মাহতাবপুর, পিরিজপুর, দক্ষিনকুল, চিকসা, চানপুর, মাহরাম, নোয়াহাট, পাতারগাঁও, ধরুন্দ, ইউনুছপুর, লক্ষীপুর ও চিকসা অন্যতম।

বালিজুরী ইউপি সদস্য দক্ষিণকুল গ্রামের বাসিন্দা বাবুল মিয়া বলেন, হঠাৎ করে রাতের বেলা বাড়ি ঘরে ঢলের পানি ঢুকে পড়েছে। বর্তমানে পানির মধ্যে আতংকে দিনরাত কাটাতে হচ্ছে।

বাদাঘাট ই্উনিয়ন পাতারগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার রায় বলেন, বন্যার পানি গত ৩ দিন ধরে বিদ্যালয় ভবনের ভেতর প্রবেশ করেছে। একই অবস্থায় রয়েছে আরো শতাধিক বিদ্যালয়ে।

লালমনিরহাট:

অবিরাম বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা-ধরলাসহ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অপরিবর্তিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২ সে. মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে এখনো পানিবন্দি রয়েছে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা, চরদহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার-পশ্চিম কাশিরাম, চর বৈরাতী, নোহালী, শৈলমারী, ভোটমারী, হাজিরহাট, আমিনগঞ্জ, কাঞ্চনশ্বরও রুদ্ধেশ্বর, আদিতমারী উপজেলার চন্ডিমারী, দক্ষিণ বালাপাড়া, আরাজি শালপাড়া, চরগোর্দ্ধন ও সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছা, রাজপুর, তিস্তা, তাজপুর, গোকুন্ডা, মোগলহাট, বনগ্রামসহ নদীর তীরবর্তী প্রায় ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার মানুষ।

খাদ্যাভাব, বিশুদ্ধ পানি এবং নানা সঙ্কটে পড়েছেন এসব মানুষ। বন্যা দুর্গত এলাকার ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার্বক্ষণিক তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দোয়ানী ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দেয়া হয়েছে। আমরা বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করছি।

বান্দরবান:

টানা ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় বান্দরবানের সার্বিক জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বান্দরবান সদরের বিভিন্ন এলাকায় সাঙ্গু নদীর পানি প্রবেশ করায় ৩ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

শহরের উজানী পাড়া, বাস স্টেশন, হাফেজ ঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। জেলা শহরের আর্মি পাড়া, মেম্বার পাড়া, বাস স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সাঙ্গু নদীর পানি প্রবেশ করায় পানিবন্দি হয়েছে তিন শতাধিক পরিবার।

জেলার সাংগু-মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপদসীমার কয়েক ফুট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখনো বান্দরবানের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলা সদরের সাথে থানছি ও রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

রাঙ্গামাটি:

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির দুর্গম উপজেলা বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে করে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এ উপজেলার পাঁচ শতাধিক মানুষ। উপজেলায় ২৫টির অধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

বাঘাইছড়ি পৌরসভার মেয়র জাফর আলী খান জানান, পৌর সভার বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন। অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে আত্মীয়দের বাড়িতে চলে গেছেন। অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির কারণে পানীয় জলের টিউবওয়েলগুলো ডুবে গেছে। এতে করে পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আহসান হাবিব জিতু জানান, দ্রুতগতিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। বৃষ্টি না কমলে আরও অনেক এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আবদুজ্জাহের বলেন, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

নীলফামারী:

উজানের ঢল আর ভারী বর্ষণে নীলফামারীতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডালিয়ার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সকাল থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করেছে। আজ বিকেল তিনটায় ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজের সবকটি জলকপাট (৪৪টি) খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, বুধবার রাত থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হতে থাকে। যা অব্যাহত রয়েছে। ইউনিয়নের নয়’শ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে এখনও।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়া প্লাবিত হয়ে পড়েছে চরখড়িবাড়ি ও পূর্ব খড়িবাড়ি এলাকা।

এদিকে জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বানপাড়ায় তিস্তার ডান-তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ আতংকে রয়েছে। বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড বস্তায় বালু ভরে জিও ব্যাগ ফেলে রক্ষার চেষ্টা করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারী ডিভিশনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান, বাঁধের ৬০ মিটার পর্যন্ত ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আমরা জিও ব্যাগ ফেলে ১২০ মিটার পর্যন্ত রক্ষার চেষ্টা করছি।

তিনি আরো বলেন, বাঁধটি স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তার আশপাশ এলাকায় বসবাসরত মানুষদের মধ্যে প্রচারণা আমরা চালাচ্ছি। যাতে যেকোনো সময় নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন।

ফেনী:

গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীতে মুহুরী-কহুয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ফুলগাজী ও পরশুরাম অংশে ১২ স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে প্লাবিত হয়েছে প্রায় ১৭টি গ্রাম। পানিবন্দি হয়েছেন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ।

বুধবার বন্যা কবলিত গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানকার বাড়িঘর, বীজতলা, শব্জী ক্ষেত, মাছের ঘের, পুকুরের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। বসতঘর, রানাঘরে পানি ওঠার কারণে মানুষজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মুহুরী নদীর পরশুরামের অংশে মঙ্গলবার রাতে ৫টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন স্থানগুলো হলো— চিথলিয়া ইউনিয়নের উত্তর শালধর গ্রামের মহসিন মেম্বার বাড়ি সংলগ্ন, দুর্গাপুর গ্রামের কালাম মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন স্থান, পৌর এলাকার বেড়াবাড়ীয়া শাহপাড়া গ্রামে সংলগ্ন স্থান, উত্তর ধনিকুন্ডা বদু মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন, নোয়াপুর আলত মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন স্থানে।

এছাড়াও বেড়িবাঁধের ভাঙনের কারণে উত্তর ধনিকুন্ডা, চিথলিয়া, শালধর, রাজষপুর, দুর্গাপুর, নোয়াপুর, রামপুর, বেড়াবাড়ীয়া, অলকাসহ ৯টি গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দিনগত রাত ৮টা থেকে ৯টা দিকে ফুলগাজি উপজেলার মুহুরী নদীর বিভিন্ন স্থানে ৭টি ভাঙনে বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার জয়পুরের ঘনিয়া মোড়ায় তিনটি স্থানে, উত্তর শ্রীপুর গ্রামের পূর্বপাড়া, সাহাপাড়া দুটি স্থানে, বক্সমাহমুদ কাপ্তান বাজার এলাকায় ২টি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়।

এতে উপজেলার অন্তত ৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গ্রামগুলো হলো উত্তর শ্রীপুর, দক্ষিণ শ্রীপুর, নীলক্ষি, কিসমত ঘনিয়া মোড়া,পশ্চিম ঘনিয়া মোড়া, জয়পুর, শাহাপাড়া, বৈরাগপুর গ্রাম।

এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এসবি

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও