খেলাপী ঋণে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ: রুমিন

ঢাকা, ২২ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

খেলাপী ঋণে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ: রুমিন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৯:৪১ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৯

খেলাপী ঋণে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ: রুমিন

খেলাপী ঋণে বাংলাদেশ ব্যাংক দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে এসে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির একমাত্র সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। 

বুধবার সংসদে বাজেটের ওপর বক্তব্যে তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। নানা রকম প্রদর্শিত ও অপ্রদর্শিত ঋণ যদি ধরা হয় তা হবে ৩ লাখ কোটি টাকা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স বলে আখ্যায়িত করলেও দেশে এখন দুর্নীতি মহামারি রূপ ধারণ করেছে।

রুমিন বলেন, বর্তমানে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। দরিদ্রতম দেশের মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম।

রুমিন জানান, খেলাপী ঋণের পরিমাণ বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। আদায়ের কোনো লক্ষণ নেই। আবার ঋণ খেলাপীদের ছাড় দেয়ার তোড়জোড় চলছে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন- ঋণ খেলাপীদের মাফ করা হবে, যদিও কোর্টের নির্দেশে তা বর্তমানে বন্ধ হয়ে আছে। খেলাপী ঋণ আদায়ের কোনো সদিচ্ছা দেখা যায় না। বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার।

তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও বাজেটের ঘাটতির পরিমাণ ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। যা মেটাতে হবে বৈদেশিক ঋণ কিংবা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে। সে কারণে ব্যাংকের হাতে আর টাকা থাকবে না। দেশে বেকারত্বের মূল কারণ বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতির পরিমাণ।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ৯ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ যোগ করলে তা বেড়ে হবে প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা। কেন এদেশে ২৫০ কোটি টাকার বেশি অর্থের মালিক বেড়ে চলেছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, বাজেটে ৮৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশি ঋণ নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। সুদ দিতেই চলে যাবে ১১ শতাংশ টাকা। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ আরো বাড়বে।

তিনি বলেন, বাজেটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের হিস্যা সমান হওয়ার কথা। তার মধ্য থেকে নিম্নবিত্তের সবাইকে এফেক্ট করবে। ঘুষ বাবদ ১১ হাজার কোটি টাকা দিতে হচ্ছে প্রতি বছর।

রুমিন ফারহানা বলেন, ২০১০-১১ সালে বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছিল ৯৭ শতাংশ, এখন তা ৭৬ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। দিনে দিনে তা কমছে। ৯-১০ মাসে উন্নয়ন কর্মসূচির ৪০ শতাংশ কাজ হয়।

কালো টাকা সাদা করার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার এদের সুযোগ করে দিচ্ছে অসৎভাবে আয় করার আর বিদেশে পাচারের। একইভাবে চিনি, তেল, গুড়া দুধের ওপর শুল্ক আরোপ করে সাধারণ মানুষের সমস্যায় ফেলেছে।

এইচকে/এইচআর

 

জাতীয়: আরও পড়ুন

আরও