ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২২১ প্রাণ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯ | ৪ আষাঢ় ১৪২৬

ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২২১ প্রাণ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৩:৫৯ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০১৯

ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২২১ প্রাণ

ঈদুল ফিতরের আগে-পরে গত ৩০ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত এই ১২ দিনে সড়ক, রেল ও নৌপথে ২১২টি দুর্ঘটনায় ২৪৭ জন নিহত এবং ৬৬৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সড়ক-মহাসড়কে ১৮৫টি দুর্ঘটনায় ২২১ জন নিহত, ৬৫২ জন আহত ও ৩৭৫ জন পঙ্গু হয়েছেন।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিএম কামরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ঈদযাত্রা শুরুর দিন ৩০ মে থেকে ঈদ শেষে বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরার সময় ১০ জুন পর্যন্ত গত ১২ দিনে ১৮৫টি দুর্ঘটনায় ২২১ জন নিহত, ৬৫২ জন আহত ও ৩৭৫ জন পঙ্গু হয়েছেন। একই সময়ে নৌপথে ৫টি দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

একই সময়ে রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে পূর্বাঞ্চলে ১৩ জন ও পশ্চিমাঞ্চলে ৯ জনসহ মোট ২২ জন নিহত হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, এসব দুর্ঘটনায় ৬৩টি ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ও পিকআপ, ১৯টি কার-মাইক্রোবাস, ৩০টি নছিমন-করিমন, ভটভটি-ইজিবাইক, অটোরিকশা, ৬৪টি মটরসাইকেল এবং ২৬টি অন্যান্য যানবাহন জড়িত ছিল।

দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ, চালকদের প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, মহাসড়কে অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, নছিমন-করিমন, মোটরসাইকেল অবাধে চলাচল, বিপজ্জনক ওভারটেকিং ও যাত্রীদের আইন না মানার প্রবণতার বিষয়গুলো তুলো ধরা হয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনা রোধে গতি নিয়ন্ত্রণ, সড়ক বাঁক সোজা করা, যানবাহনের ফিটনেস পদ্ধতি ডিজিটাল করা, মহাসড়কে অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, নছিমন-করিমন বন্ধ করা ও যাত্রী সচেতনতা বৃদ্ধিসহ ৯ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ইসমাইল গাজী দেলোয়ার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামারুল ইসলাম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দীন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল যুবায়ের, অর্থ সম্পাদক সায়মুন নাহার জিদনী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ওএস/এসবি