সবজি পরিবহনে সড়কে চাঁদাবাজি মন্ত্রীর কবুল

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

সবজি পরিবহনে সড়কে চাঁদাবাজি মন্ত্রীর কবুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৯:০০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০১৯

সবজি পরিবহনে সড়কে চাঁদাবাজি মন্ত্রীর কবুল

সারা দেশ থেকে রাজধানীতে সবজি আসা যানবাহনে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করলেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। এটি নিয়ন্ত্রণে তার সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও জানান।

বৃহস্পতিবার সংসদে সংরক্ষিত আসনের এমপি আদিবা আঞ্জুম মিতার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী একথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশীর অনুপস্থিতিতে তিনি প্রশ্নের জবাব দেন।

মিতা সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, বাইরে থেকে ঢাকায় সবজি আনার সময় চাঁদা দিতে হয় বলেই দাম বেড়ে যায়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা?

জবাবে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চাঁদাবাজির বিষয়টি মনিটরিং করে আসছে। বিভিন্ন পরিবহন শ্রমিক সংগঠন নানা কারণে চাঁদা সংগ্রহ করে। সবজি পরিবহনের সময় চাঁদা আদায়ের বিষয়টিতে আমি দ্বিমত পোষণ করছি না। এটা সত্য যে, কিছু কিছু পয়েন্টে চাঁদাবাজি হয়। চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটছে। সেগুলো নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

নুরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আসন্ন রমজানে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘রজমানকে কেন্দ্র করে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হবে না।’

গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ভোজ্য তেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এ চাহিদা পূরণে প্রতি বছর ১৬ থেকে ১৭ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত ভোজ্য তেল আমদানি করা হয়ে থাকে।’

সংসদে বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘দেশের সাড়ে ১৬ কোটি জনসংখ্যার জন্য প্রতিদিন ৫০৯ গ্রাম হিসেবে বছরে ৩০৬ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের চাহিদা আছে। গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৩১৯ লাখ ২৬ হাজার মেট্রিক টন চাল ও ৯ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে চাহিদার চেয়ে বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন হয় বিধায় খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই।’

এইচকে-এমএইচ/আইএম