খুলল বিজিএমইএ ভবন, মালপত্র সরানোর শেষ দিন আজ

ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০১৯ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

খুলল বিজিএমইএ ভবন, মালপত্র সরানোর শেষ দিন আজ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:১৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০১৯

খুলল বিজিএমইএ ভবন, মালপত্র সরানোর শেষ দিন আজ

মালপত্র সরিয়ে নিতে বিজিএমইএ ভবনের প্রধান ফটকের তালা খুলে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বিজিএমইএ ভবন খুলে দেওয়া হয়। এরপরই ভেতরে থাকা মালামাল সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করেন মালিকপক্ষের লোকজন।

হাতিরঝিল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস পরিবর্তন ডটকমকে জানান, বিজিএমইএ ভবনের ভেতরে থাকা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার সময় দেওয়া হয়েছে। এদিনের মধ্যেই সব মালপত্র সরিয়ে নিতে হবে। এরপর আর সময় দেওয়া হবে না।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত মালিকপক্ষকে মালামাল সরাতে সময় দেয় রাজউক। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে সব মালামাল সরিয়ে নিতে না পারায় সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভবনটির ফ্লোরগুলো সিলগালা করে দেয়া হয়। সাড়ে ৭টার দিকে ভবনটির প্রধান ফটকও সিলগালা করে দেয় রাজউক।

ভবনটি থেকে মালামাল সরিয়ে নেয়ার পর শিগগিরই এটি ভাঙার কার্যক্রম শুরু করবে রাজউক।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএর বর্তমান ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন।

এর বিরুদ্ধে বিজিএমইএ লিভ টু আপিল করে, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়। রায়ে বলা হয়, ভবনটি নিজ খরচে অবিলম্বে ভাঙতে আবেদনকারীকে (বিজিএমইএ) নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। এতে ব্যর্থ হলে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজউককে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

পরে ভবন ছাড়তে উচ্চ আদালতের কাছে সময় চায় বিজিএমইএ। প্রথমে ছয় মাস এবং পরে সাত মাস সময়ও পায় তারা। সর্বশেষ গত বছর নতুন করে এক বছর সময় পায় সংগঠনটি। সে সময় তারা মুচলেকা দেয়, ভবিষ্যতে আর সময় চাওয়া হবে না।

কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএর বর্তমান এই ভবনটি দুটি বেজমেন্টসহ ১৬ তলা। বিজিএমইএ ব্যবহার করে চারটি তলা। বাকি জায়গা দুটি ব্যাংকসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। তবে আইনি জটিলতার কারণে তাদের মালিকানা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।

পিএসএস/এএসটি
আরও পড়ুন...
বিজিএমইএ ভবন সিলগালা
বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কার্যক্রম শুরু
‘ডিনামাইটে ভাঙা হবে বিজিএমইএ ভবন’