এক্সক্লুসিভ: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি

ঢাকা, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

এক্সক্লুসিভ: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি

ফরিদ আহমেদ  ১:৫৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০১৯

এক্সক্লুসিভ: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি

প্রায় ১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাপনার ভাড়ার বিপরীতে এ ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য  জানা গেছে।।

তথ্যানুযায়ী, প্রিমিয়ার ব্যাংক ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাপনার ভাড়ার উপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট পরিশোধ করেনি। এসময়ে প্রতিষ্ঠানটি সরকারের প্রায় ১৬ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৩ টাকা ভ্যাট রাজস্ব আত্মসাত করেছে।

জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি  প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে এনবিআরের ভ্যাট এলটিইউ। এছাড়া বিষয়টি জানিয়ে ও সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব দ্রুত পরিশোধ করতে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে ১৪ মাসে প্রিমিয়ার ব্যাংক মোট ১১২ কোটি ৯৫ লাখ ২১ হাজার ৯৮৭ টাকা বাণিজ্যিক স্থান ও  স্থাপনা বাবদ ভাড়া পরিশোধ করেছে। ১১২ কোটি ৫৫  লাখ ৫৫ হাজার ২৬ বর্গফুট বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাপনার উপর এ ভাড়া পরিশোধ করে ব্যাংকটি। উল্লেখিত ভাড়ার উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য থাকলেও প্রিমিয়ার ব্যাংক সরকারকে তা পরিশোধ করেনি। এ ক্ষেত্রে প্রিমিয়ার ব্যাংক সরকারের প্রায় ১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এ টাকার উপর জরিমানা স্বরুপ ব্যাংকটিকে ২ শতাংশ সুদসহ মোট টাকা দ্রুত পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, প্রিমিয়ার ব্যাংকের কার্যকলাপে মূল্য সংযোজন কর আইনের সুস্পষ্ট লংঘন হয়েছে।

ব্যবস্থাপনা পরিচালকে দেওয়া চিঠিতে আরো বলা হয়েছে,  সরকারের এ বিপুল অংকের রাজস্ব আইন অনুযায়ী প্রাপ্য হিসাবে দাবি করা হলো। এই দাবিনামা জারির পর থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রিমিয়ার ব্যাংক কেন ১৬ কোটি ৮৮ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৩ টাকা পরিশোধ করবে না তার কারণ এনবিআরকে লিখিত জানাতে বলা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে এনবিআরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, বার বার বলার পরও প্রিমিয়ার ব্যাংক সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ করছে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা চূড়ান্ত নোটিশ জারি করার চিন্তা করছি। চূড়ান্ত নোটিশ জারির পর টাকা পরিশোধ না করলে তাদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হবে। সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব যেকোনো মূল্যে আদায় করা হবে।

এফএ/এএসটি

আরও পড়ুন...
টেলিটকের হিসাব জব্দে এনবিআরের চিঠি
এক্সক্লুসিভ: রবির ৯১ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি