এসডিজি অর্জনে সক্ষমতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: স্পিকার

ঢাকা, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯ | ৮ চৈত্র ১৪২৫

এসডিজি অর্জনে সক্ষমতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: স্পিকার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৮:০২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৯

এসডিজি অর্জনে সক্ষমতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী কর্মপরিকল্পনা ও দেশের কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশ এখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি খাদ্য, কৃষি ও মৎস্যকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়ায় কৃষি অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে, ফলশ্রুতিতে তা দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে।

মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করে এসডিজি অর্জনে সক্ষমতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে।

স্পিকারের সঙ্গে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ইওয়াল্ড রেমেটসটেইনার রোববার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি খাতের উন্নয়ন ও সংসদ সদস্যদের জন্য অবহিতকরণ কর্মশালা আয়োজন নিয়ে আলোচনা করেন।

তৃতীয়বারের মতো জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে অভিনন্দন জানান প্রতিনিধি দল।

এসময় স্পিকার বলেন, কৃষি খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসনীয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা খাদ্য নিরাপত্তা ও অপুষ্টি দূরীকরণে কৃষি মন্ত্রণালয় ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এছাড়াও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও স্থায়ী কমিটির সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চায় সংস্থাটি।

জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সংসদ সদস্যদের সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজনে আগ্রহী বলে তিনি স্পিকারকে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরুপ প্রভাব মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনেও বাংলাদেশ সফল হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার দারিদ্র্য ও অপুষ্টি দূরীকরণে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের মূলস্রোতে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। আর এসব কর্মকাণ্ড তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়নের নজরদারী করেন সংসদ সদস্যবৃন্দ।

সংসদ সদস্যদের জন্য এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে প্রশিক্ষণ ভূমিকা রাখবে। অন্যান্য দেশের সংসদ সদস্যদের সমম্বয়ে প্রশিক্ষণ আয়োজনের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এসময় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিমসন, সহকারী প্রতিনিধি নূর আহমেদ খন্দকার, ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ফারাজি বিনতে ফেরদাউসসহ সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 এইচকে/এইচআর