প্রধানমন্ত্রীর জবাব পেয়ে আপ্লুত সেঁজুতি

ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫

প্রধানমন্ত্রীর জবাব পেয়ে আপ্লুত সেঁজুতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৭:১২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০১৮

print
প্রধানমন্ত্রীর জবাব পেয়ে আপ্লুত সেঁজুতি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জবাব ও উপহার পেয়ে আবেগে আপ্লুত নারায়ণগঞ্জের সেঁজুতি। সে যেন ফিরে পেয়েছে তার দাদুকে। ভুলে গেছে দাদু হারানোর কষ্ট। এখন বেশ আনন্দেই কাটছে সেঁজুতির সময়। রোববার বিকেলে ফোনে কথা বলে সেঁজুতির এ আনন্দের খবর পাওয়া যায়।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া গ্রামের ছাত্রী সৈয়দা রওনক সেঁজুতি। পড়ে পার্শ্ববর্তী একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে। বছর খানেক হলো তার দাদু মারা গেছেন। প্রিয় দাদু তাকে নিয়ে খেলা করতেন, আর এখন যে তিনি নেই! কিন্তু দাদুকে ছাড়া তো সময় কাটে না তার। দাদুকে খুঁজতে গিয়ে পেয়ে গেলেন। এ যে এক মহান দাদু। টিভিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখে সেঁজুতি বলছে- তিনি তো তার দাদুর মতো। আবেগে লিখেও ফেলেছে চিঠি।

চিঠিতে সে লিখেছে- ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আসসালামু আলাইকুম। দাদুকে হারিয়ে আমি ভালো নেই। তোমার মুখ আমার দাদুর মুখের মতো। বিশেষ করে তোমার নাক আমার দাদুর নাকের মতো। তাই আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তোমাকে টিভিতে দেখলে আমার দাদুর কথা মনে পড়ে। আমি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। তুমি আমাদের বাসায় বেড়াতে এসো।’ ইতি তোমার স্নেহের সেঁজুতি।

২৫ মার্চ পাঠানো এ চিঠির উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১২ এপ্রিলের দেয়া জবাবে তিনি লেখেন- ‘প্রিয় সেঁজুতি, তোমার লেখা চিঠি পেয়েছি। আমার স্নেহ ও শুভেচ্ছা গ্রহণ কর। ‍আশা করি তুমি বাবা, মা ও বন্ধুদের নিয়ে খুব ভালো আছো। আমি তোমার চিঠি কয়েকবার পড়েছি। আমি তোমার দাদুর জন্য দোয়া করেছি। তোমার দাদুকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বেহেস্ত নসিব করুন। তুমি মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করবে এবং নিয়মিত স্কুলে যাবে। বাবা-মার কথা শুনবে এবং বড় হয়ে দেশের সেবা করবে। তোমার জন্য আমার একটি ছবি পাঠালাম। তোমার জন্য অনেক দোয়া আর আদর রইল। -শেখ হাসিনা।’

প্রধানমন্ত্রীর চিঠি পেয়ে বেশ আপ্লুত সেঁজুতি। বিশেষ করে তার দাদুর মতো দেখতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি পেয়ে সেই ছবি বুকে নিয়ে ভুবনরাঙা হাসি দিয়ে ছবি তুলেছে। যে ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

সেঁজুতি পরিবর্তন ডটকমকে জানায়, চিঠির জবাব পেয়ে আমার খুব ভালো লাগছে। ছবিটি খুব যত্নে করে রেখেছি। এটি আমি প্রতিদিন দেখি। সে জানায়, তিন ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয় সেঁজুতি। বড় একভাই ডাক্তার, আরেক ভাই একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। বাবা মোগড়াপাড়া এইচজিজিএস স্মৃতি বিদ্যায়তনের সহকারী শিক্ষক এবং মা স্বাস্থ্য পরিদর্শক।  

এসইউজে/এএল

আরো পড়ুন...

স্কুলছাত্রী সেঁজুতির চিঠি’র উত্তর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

 
.


আলোচিত সংবাদ