৯৯৯ জন হজ প্রতিনিধির পেছনে ব্যয় ১০৯ কোটি টাকা

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫

৯৯৯ জন হজ প্রতিনিধির পেছনে ব্যয় ১০৯ কোটি টাকা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৬:১৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮

৯৯৯ জন হজ প্রতিনিধির পেছনে ব্যয় ১০৯ কোটি টাকা

ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেছেন, গত চার বছরে (২০১৪-১৭ পর্যন্ত) ৯৯৯ জন হজ প্রতিনিধির পেছনে সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় হয়েছে ১০৯ কোটি ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা দেখাশোনাসহ হজ ব্যবস্থাপনার জরুরি দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন দলে (হজ প্রতিনিধি দল, হজ প্রশাসনিক দল, হজ চিকিৎসক, হজ কারিগরি দল এবং হজ চিকিৎসক কারিগরি দল) অন্তর্ভুক্ত করে ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী সৌদি আরবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন; তাদের পেছনে ওই অর্থ ব্যয় হয়। তবে, সরকারি খরচে কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হজে পাঠানো হয় না।

সোমবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত এমপি মো. আবদুল মতিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। মন্ত্রী আরো বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সরকারি খরচে কোনো হজযাত্রী পাঠানো হয়নি। মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি অনুযায়ী ২০১৪ সাল থেকে সরকারি খরচে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হজে পাঠানো হচ্ছে।

এ হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১২৫ জনের পেছনে সরকারের ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৩৬ লাখ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৬৬ জনের পেছনে ২৯ কোটি, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২৮৮ জনের পেছনে সাড়ে ২৯ কোটি এবং ২০১৮ অর্থবছরে ৩২০ জনের পেছনে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে সাড়ে ৩৩ কোটিসহ মোট ২৪৫ কোটি টাকা।

দেশে মসজিদের সংখ্যা আড়াই লাখ

শেখ মো. নুরুল হকের লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ জরিপ-২০০৮ অনুযায়ী সারাদেশে মসজিদের সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৯৯টি।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি অর্থবছরে নির্ধারিত আবেদন ফরমের ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দ থাকা সাপেক্ষে মসজিদের অনুদান মঞ্জুর করা হয়। এর অংশ হিসেবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩৫৬টির অনুকূলে ১১ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩৯৯ মসজিদের জন্য ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়। তবে, দেশের সকল মসজিদে সরকারি অনুদান সমভাবে পৌঁছানোর কোনো পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নেই।

এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, দেশের প্রতিটি জামে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের সরকারিভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা আপাতত নেই।

এইচকে/এএল