ওয়াটার থেরাপিতে থাকুন স্লিম ও ফিট

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

ওয়াটার থেরাপিতে থাকুন স্লিম ও ফিট

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:০১ পূর্বাহ্ণ, জুন ০২, ২০১৯

ওয়াটার থেরাপিতে থাকুন স্লিম ও ফিট

শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সচল রাখতে পানির  গুরুত্বের কথা কমবেশি সকলেই জানেন। বিশেষত গরমকালে ডিহাইড্রেশন এড়াতে, শরীরকে তরতাজা রাখতে সারাক্ষণই পানি খাওয়ার উপদেশ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তা বলে ওজন কমানোর জন্য পানির  থেরাপি? হলফ করে বলা যায়, আপনি আগে শোনেনি এমন কথা। শুনবেই বা কী করে, এই থেরাপির জন্ম তো সেই সুদূর জাপানে!

হ্যাঁ, নেহাত কথার কথা নয়, ছিপছিপে জাপানিরা দীর্ঘকাল ধরেই রোগা হওয়ার দাওয়াই হিসেবে এই পানির  টোটকা ব্যবহার করে আসছে। ঈষদুষ্ণ পানিতে  লেবু আর মধু দিয়ে খাওয়া, এই অভ্যাস বাঙালির রয়েছে। তাতে কাজও হয়। কিন্তু ‘ওয়াটার থেরাপি’ তার থেকে অনেকটাই আলাদা। এখানে শুধু পানিকেই ঔষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

এই থেরাপিতে প্রধান লক্ষ্য থাকে, পানির  ব্যবহারে পাকস্থলীকে যাতে সব থেকে ভালো কাজের অবস্থায় পৌঁছে দেওয়া যায়। একই সঙ্গে লক্ষ্য থাকে হজম শক্তি ফিরিয়ে আনার এবং শরীরের সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করার। প্রায় একশো বছরের বেশি সময় ধরে জাপানিরা এই টোটকায় বিশ্বাস রেখে আসছে। ফলও মিলছে হাতেনাতে।

জেনে নেওয়া যাক ওয়াটার থেরাপির নিয়মকানুন—

১. সকালে উঠেই খালি পেটে চার থেকে পাঁচ গ্লাস পানি খেতে হবে। শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করবে খালি পেটে এই অভ্যেস।

২. দাঁত ব্রাশ করার পরেও অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট পানি ছাড়া কিছুই খাওয়া চলবে না।

৩. খাবার প্রতি দিন এক সময়ে খেতে হবে। খাবার খাওয়ার পর কোনো ভাবেই দু’ঘণ্টা পানি খাওয়া চলবে না।

৪. শারীরিক কোনো সমস্যা থাকলে বা বার্ধক্যজনিত কারণে হঠাৎ করে সকালে অনেকেই হয়তো চার গ্লাস পানি একবারে খেতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে আস্তে আস্তে পানির  পরিমাণ বাড়ান। প্রথমে শুরু করুন সকালবেলা বাসি মুখে এক গ্লাস পানি দিয়ে।

৫. এই থেরাপি চলাকালে পানি হোক বা অন্য কোনও খাবার, কখনোই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খাবেন না।

ওয়াটার থেরাপি শুরু করলে কয়েক দিনের মধ্যেই হাতেনাতে ফল পাওয়া যাবে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এর ফলে বিপাকের হার বাড়বে। সঠিক ভাবে কাজ করবে পরিপাকতন্ত্র। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর থেকে ঝরে যাবে অতিরিক্ত মেদ। তার জন্য দরকার নেই কোনো অতিরিক্ত কসরত। প্রয়োজন নেই কোনো ক্ষতিকর কৃত্রিম ডায়েটের যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ভোগাতে পারে।

ইসি/

 

জীবনযাত্রা: আরও পড়ুন

আরও