বনানীর দুই তরুণীর ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে

ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৫

বনানীর দুই তরুণীর ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:০৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৮

print
বনানীর দুই তরুণীর ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ২৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার বিশ্ব ইজতেমার কারণে পুলিশ আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে না আনায় সময়ের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. সফিউল আজম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এদিন ধার্য করেন।

গত ১৬ অক্টোবর এ মামলায় বাদি সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন। বতর্মানে ক্যামেরা ট্রায়ালে তাদের জেরা চলছে।

আদালতে বাদির পক্ষে আইনি সহায়তাকারী মহিলা আইনজীবী সমিতির ফাহমিদা আক্তার রিংকি পরিবর্তন ডটকমকে এসব তথ্য জানান।

গত ১৩ জুলাই একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

গত ১২ জুন মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় সিএমএম আদালত থেকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ বদলি করা হয়।

এর আগে গত ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে।

অপর আসামি সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার পাঁচ আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন। আসামিদের মধ্যে রহমত আলী ছাড়া অপর আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদি এবং তার বান্ধবী ও বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। বাদি ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। বাদিকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে।

এমআই/এএল

 
.



আলোচিত সংবাদ