বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

আদালত প্রতিবেদক ৬:৪৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের মামলায় অপূর্ব সরকার নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. খাদেম উল কায়েশ আসামির অনুপস্থিতিতেই এ রায় ঘোষণা করেন।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৪ মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপূর্ব সরকার টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরের সিংজুড়ির গৌর চন্দ্র সরকারের ছেলে।

প্রসঙ্গত অপূর্ব সরকারের সাথে মেয়েটির পরিচয়ের সুবাদে রাজধানীর মালিবাগে একটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ট্রেনিং কোর্সে ভর্তি  করে দেন।  ট্রেনিং শেষে মেয়েটিকে চাকরি ও বিয়ে করার প্রলোভন দেখায়। ২০১১ সালের ১১ এপ্রিল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে মেয়েটিকে তার বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে মহাখালী এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে মেয়েটি রাজি হয় এবং তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে যায়।  পরে অপূর্ব সরকার তাকে অনেকবার ধর্ষণ করে।  মেয়েটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করার জন্য অপূর্বকে চাপ দিলে ওই বছরের ১৩ এপ্রিল ঢাকেশ্বরী মন্দিরে নিয়ে ভিকটিমের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে বলে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। ১৬ মে মেয়েটি তার মা ও বোনকে নিয়ে ডেসটিনি অফিসে গেলে আসামি অঙ্গীকারনামা দেয় যে, সে অর্থনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তাকে ঘরে তুলবে। পরে ২০১৩ সালের ৭ মার্চ মেয়েটিকে জানিয়ে দেয় যে, তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেবে না এবং ঘরে তুলে নেবে না।

পরে মেয়েটি ২০১৩ সালের ২১ মার্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত করে ওই বছরের ২০ আগস্ট নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের এসআই কুইন আক্তার আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির বিচারকাজ চলাকালে ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

এমআই/এসবি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও