শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে মামলায় হাইকোর্টের আদেশ বহাল

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে মামলায় হাইকোর্টের আদেশ বহাল

হাইকোর্ট প্রতিবেদক ৪:২০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৯

শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে মামলায় হাইকোর্টের আদেশ বহাল

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা বহাল থাকছে।

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

একই সঙ্গে আদালত আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ–সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করতে বলেছেন।

এর ফলে মামলার তদন্তে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহালই থাকছে।

রাজধানীর রমনা থানায় করা এই মামলার কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে শহিদুল আলমের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেন।

একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন, যা আজ রোববার আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন এ এফ হাসান আরিফ, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়না হাসান, জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ।

শুনানির পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে রুলটি নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। মামলার তদন্তে হাই কোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহালই থাকছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, যে আইনের মামলায় শহিদুল আলমকে আসামি করে এফআইআর দেওয়া হয়েছিল, সে আইনের কয়েকটি ধারা পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। সুতরাং তার বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত হাইকোর্ট স্থগিত করে রুল দিয়েছিল।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গত গতবছরের ৩ ও ৪ আগস্ট জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের বিষয়ে কথা বলতে বেশ কয়েকবার ফেইসবুক লাইভে এসেছিলেন শহিদুল আলম। ওই আন্দোলনের বিষয়ে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের সমালোচনাও করেন।

এরপর ৫ আগস্ট শহিদুল আলমকে তার বাসা থেকে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তার নামে মামলা হয়।

প্রায় সাড়ে তিন মাস কারাগারে থাকার পর গত বছরের ২০ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান শহিদুল আলম।

ওএস/এসবি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও