‘পুলিশ অফিসারের আচরণ এমন হতে পারে না’

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

‘পুলিশ অফিসারের আচরণ এমন হতে পারে না’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৯

‘পুলিশ অফিসারের আচরণ এমন হতে পারে না’

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল বাশার।

নুসরাতের কথোপকথন ভিডিও করে সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন ফেসবুকে ভাইরাল করা বিষয়ে আদালত বলেন, ‘একজন পুলিশ অফিসারের আচরণ এমন হতে পারে না।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা না পেলে শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে- এমন প্রশ্নও রাখেন আদালত।

এরপর আদালত ফেনীর নুসরাত জাহান হত্যাকাণ্ড এবং অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এবং ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিকে এনামুল করিমের ভূমিকা তদন্তের নির্দেশ দেন।

পরে আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, ৩০ দিনের মধ্যে তদন্তের নির্দেশ ছাড়াও আদালত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিকে এনামুল করিমের নিষ্ক্রিয়তায় চার সপ্তাহের রুল জারি করেন।

রিটের বিবাদীরা হলেন- জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ফেনীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সোনাগাজী থানার ওসি।

দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ২১ জুন ‘এডিএম এনামুলের ভূমিকা, পুলিশের তদন্তের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন মন্ত্রণালয়ের’ শীর্ষক প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার নির্দেশনায় নুসরাত জাহান রাফির শরীরে কেরোসিন দিয়ে আগুন দেয়া হয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ওএস/আইএম

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও