আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. তাজুল রিমান্ডে

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. তাজুল রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক ১০:২৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯

আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. তাজুল রিমান্ডে

অর্থ আত্মসাতের মামলায় আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মিল্লাত হোসেন রিমান্ডের আদেশ দেন।

তাজুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিনের আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) শারমিন জাহান বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ১৬ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বংশাল থানায় আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ মেলায় ধানমন্ডি থেকে আজ তাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে সিআইডির একটি দল।

উল্লেখ্য, সুফিয়া আক্তার নামে এক নারী ভুক্তভোগী অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগে বংশাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় আসামিরা হলেন— আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম (৬২), ব্রাঞ্চ কন্ট্রোলার ও ব্যবস্থাপক লাকী খাতুন (৩২), শাখা ব্যবস্থাপক দ্বীন মোহাম্মদ (৪২), নবাবপুর শাখা ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন (৩৫) এবং উপদেষ্টা মো. নুরুন্নবী (৬৫)।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর থেকে আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেডের নবাবপুর শাখা অফিসে বিভিন্ন মেয়াদে সুফিয়া আক্তার ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৩৩৫ টাকা জমা রাখেন।

সুফিয়া আক্তার একাধিকবার টাকা উত্তোলনের জন্য গেলেও টাকা পাননি। নবাবপুর শাখা ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন সুফিয়া আক্তারকে টাকা নেই জানিযে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেন।

পরে ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম ও ব্রাঞ্চ ব্যবস্থাপক লাকী খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন তারা।

শাখা ব্যবস্থাপক দ্বীন মোহাম্মদ ও উপদেষ্টা নুরুন্নবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেও টাকা পাননি তিনি। উল্টো গত ৬ মার্চ মামলার আসামিরা সুফিয়া আক্তারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং টাকা ফেরত দেবে না বলে জানান।

এমআই/এসবি

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও