শবে বরাত নিয়ে বিব্রত হাইকোর্ট

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

শবে বরাত নিয়ে বিব্রত হাইকোর্ট

আদালত প্রতিবেদক ৪:৪৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০১৯

শবে বরাত নিয়ে বিব্রত হাইকোর্ট

শাবান মাসের চাঁদ দেখা ও শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণ নিয়ে বিব্রত হাইকোর্ট। ৬ এপ্রিল শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে—মর্মে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা এক আবেদনের জন্য অনুমতি চাওয়ার সময় আজ বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই মন্তব্য করেন।

আদালত বলেছেন, এখন একবারেই লাস্ট স্টেজ। তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে (অ্যামব্রেস ফিল করছি) বিব্রতবোধ করছি এবং এ অবস্থায় নতুন করে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।

আদালত আরও বলেছেন, হলফনামা করার জন্য আমরা অনুমতি দিতে পারছি না।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন—সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল আলম। আবেদনের পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান।

খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, আবেদনকারীদের কথা হচ্ছে, ৬ এপ্রিল চাঁদ দেখা গেছে। সে অনুসারে আগামী ২০ তারিখ শবে বরাত। সেটির কিছু তথ্য নিয়ে ১০ জন আবেদন করতে চাচ্ছেন। অনুমতির জন্য আদালতে এসেছিলাম। আদালত রিফিউজ করে বললেন আমরা পারমিশন দেব না।

এর আগে ৬ এপ্রিল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা করে জানিয়েছিল, ওই দিন দেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ৮ এপ্রিল থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে এবং ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হবে।

তবে ‘মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ নামে একটি সংগঠনের দাবি—সেদিন খাগড়াছড়িতে চাঁদ দেখা গেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ২০ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালিত হওয়ার কথা। এ নিয়ে বিতর্ক এড়াতেই জরুরি বৈঠক ডাকে সরকার।

গত ১৩ এপ্রিল বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে শাবান মাসের চাঁদ দেখা নিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটাতে ১১ সদস্যের সাব-কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি শবে বরাতের আগে ১৭ এপ্রিলের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

এ অবস্থায় ১৫ এপ্রিল ওই ১০ জন হাইকোর্টে আবেদন (৬ এপ্রিল চাঁদ দেখা গেছে মর্মে) করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। ওইদিন আদালত বলেছিলেন, এটা ধর্মীয় সেনসিটিভ (স্পর্শকাতর) ইস্যু। এটা আদালতের বিষয়বস্তু না করাই ভালো।

এর মধ্যে সাব কমিটি গতকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) মিটিং করার পর ২১ এপ্রিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে সরকার।

এমএ

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও