অরিত্রী আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় ২ শিক্ষকের জামিন

ঢাকা, ৫ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

অরিত্রী আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় ২ শিক্ষকের জামিন

আদালত প্রতিবেদক ২:৪০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৯

অরিত্রী আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় ২ শিক্ষকের জামিন

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার প্ররোচনায় দেওয়ার অভিযোগের মামলায় দুই শিক্ষীকার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক রাজেশ চৌধুরী এ আদেশ দেন।

জামিন প্রাপ্তরা হলেন, অধ্যাক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার সাবেক প্রধান জিনাত আক্তার।

আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধ কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন পরিবর্তন ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, এ মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য আছে।

এ মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখাপ্রধান জিন্নাত আক্তার ও শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে আসামি করা হয়।

মামলা দায়েরের পর ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর ৯ ডিসেম্বর জামিন পান হাসনা হেনা।

অরিত্রীর আত্মহত্যায় ঘটনায় পল্টন থানায় তার বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে গত ৪ ডিসেম্বর  মামলাটি দায়ের  করেন। মামলায় তৃতীয় আসামি ছিলেন হাসনা হেনা।

অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারীর অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষা চলাকালে অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। মোবাইল ফোনে নকল করেছে। এমন অভিযোগে অরিত্রীকে সোমবার তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ওইদিন স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়।

পরে শান্তিনগরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে। আত্মহত্যার ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় ওঠে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্কুল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় স্কুলের অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকেকে বরখাস্ত করা হয়।

এমআই/এআরই

 

আইন ও অপরাধ: আরও পড়ুন

আরও