ডাকসু নির্বাচন: ঢাবি ভিসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫

ডাকসু নির্বাচন: ঢাবি ভিসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন

হাইকোর্ট প্রতিবেদক ৭:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

ডাকসু নির্বাচন: ঢাবি ভিসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠানে হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়েছে।

এই তিনজন হলেন- ভিসি মো. আক্তারুজ্জামান, প্রক্টর একেএম গোলাম রাব্বানি ও ট্রেজারার কামাল উদ্দিন।

বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটকারীর আইনজীবী হিসেবে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এই আবেদন করেন।

তিনি বলেন, রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হতে পারে।

হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ভিসিসহ এই তিনজনকে গত ৪ সেপ্টেম্বর আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়েছিল, আগামী সাত দিনের মধ্যে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তাদের বিরুদ্ধে হাইকার্টে আদালত অবমাননার আবেদন করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী।

গত ১৭ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন ছয় মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ আদেশ বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়।

এছাড়া ডাকসু নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন আদালত। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের যুগ্ম-বেঞ্চ এ রায় দেন।

ডাকসু নির্বাচনে পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে ২০১২ সালের ১১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিশ দেন এই আইনজীবী। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নোটিশের কোনো জবাব না দেয়ায় ওই বছরই ২৫ শিক্ষার্থীর পক্ষে রিট আবেদন করা হয়।

এরপর ৮ এপ্রিল হাইকোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। বিবাদী ছিলেন শিক্ষা সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর।

প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এমএ/এমএসআই