লোহাগড়া থানার ওসি মোকাররমকে প্রত্যাহার

ঢাকা, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

লোহাগড়া থানার ওসি মোকাররমকে প্রত্যাহার

নড়াইল প্রতিনিধি ৫:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৯

লোহাগড়া থানার ওসি মোকাররমকে প্রত্যাহার

দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে নড়াইলের লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোকাররম হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহারের পর তাকে মেহেরপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ওসি মোকাররম হোসেন লোহাগড়া থানা ত্যাগ করে মেহেরপুর পুলিশ লাইনে যোগদানের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

এর আগে সোমবার বিকেলে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন স্বাক্ষরিত বদলীর আদেশটি লোহাগড়া থানায় পৌঁছায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, প্রশাসনিক কাজে অবহেলার কারণে ওসি মোকাররম হোসেনকে তাৎক্ষণিক বদলী করে মেহেরপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, লোহাগড়া থানা হেফাজতে শিহাব মল্লিক (২৮) নামে এক ব্যবসায়ীকে চোখ বেঁধে ও পেছনে হাতকড়া পরিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানবিক নির্যাতন করা হয়।

লোহাগড়া পৌর এলাকার গোপীনাথপুর গ্রামের এনামুল মল্লিকের ছেলে নির্যাতিত শিহাব মল্লিক জানান, গত ২ নভেম্বর পারিবারিক বিরোধের জের ধরে শিহাব তার ফুফাতো ভাই বদরুল মল্লিককে মারধর করে। মারধরের ঘটনায় বদরুল মল্লিকের ছোট ভাই মনিরুল মল্লিক বাদী হয়ে শিহাব ও তার মা বিউটি বেগমকে আসামি করে ঘটনার দিন লোহাগড়া থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লোহাগড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুস সালাম সিদ্দিক পরদিন ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রাখে। ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে এসআই সিদ্দিক ব্যবসায়ী শিহাব মল্লিকের হাতে হাতকড়া পরিয়ে এবং চোখ বেঁধে পরের দিন সকাল পর্যন্ত কয়েক দফায় শিহাবের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি কয়েকবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

৪ নভেম্বর শিহাব মল্লিককে কিছুটা সুস্থ করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

নির্যাতনের শিকার শিহাব মল্লিক জামিনে মুক্ত হয়ে ৭ নভেম্বর লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এইচআর

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও