ছিলেন সিঙ্গাপুর, এমপিওভুক্তির খবরে দেশে ফিরে যোগদান!

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ছিলেন সিঙ্গাপুর, এমপিওভুক্তির খবরে দেশে ফিরে যোগদান!

শাহরিয়ার আলম সোহাগ, ঝিনাইদহ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৯

ছিলেন সিঙ্গাপুর, এমপিওভুক্তির খবরে দেশে ফিরে যোগদান!

২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাদিরকোল আদর্শ দাখিল মাদরাসা। প্রথমে তিনজন শিক্ষক দিয়ে ইবতেদায়ী পাঠদান শুরু হয় মাদরাসাটিতে। এরপর ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পর্যায়ক্রমে বিনা পারিশ্রমিকে নিয়োগ দেওয়া হয় ১৭ শিক্ষক ও কর্মচারী। সবাই আশায় ছিলেন একদিন এমপিওভুক্ত হবে।

প্রতিষ্ঠানটির এমপিওভুক্তির খবর পেয়ে সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে যোগদান করেছে মো. মোমিনুর রহমান। তিনি শারিরীক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক

উল্লেখ্য গত ২৩ অক্টোবর সারাদেশের ২ হাজার ৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই তালিকায় কালীগঞ্জ উপজেলার কাদিরকোল আদর্শ দাখিল মাদরাসার নাম উঠে আসে। বর্তমানে মাদারাসায় প্রায় ১৩০ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শারিরীক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক মো. মোমিনুর রহমান ২০০৪ সালে প্রথম যোগদান করেন। এরপর প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়ায় ২০০৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর চলে যান সিঙ্গাপুর। সেখানেই কাজ করতেন। এরপর হঠাৎ মাদরাসাটি এমপিওভুক্ত হওয়ায় গত ১ নভেম্বর কোটচাঁদপুর উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। পরদিন রোববার সকালে গিয়ে মাদরাসায় যোগদান করেন।

এই সময়ে ওই শিক্ষকের হয়ে ক্লাস নিতেন তার ছোট ভাই মিজানুর রহমান।

কাদিরকোল আদর্শ দাখিল মাদরাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্র রিফাত হোসেন বলে, এর আগে কখনো মোমিন স্যার আমাদের ক্লাস নেননি। গত এক সপ্তাহ তিনি মাদরাসায় আসছেন।

এব্যাপারে শিক্ষক মো. মোমিনুর রহমান বলেন, আমি ২০০৪ সালে প্রথম যোগদান করি। এরপর এমপিওভুক্ত না হওয়ায় ২০১৮ সালে সিঙ্গাপুর চলে যায়। গত ২৩ তারিখে মাদরাসাটি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর গত ২ তারিখে এসে ক্লাস নিতে শুরু করি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এক বছর আমার পক্ষে আমার ছোট ভাই বিদ্যালয়ে ক্লাস নিতেন।

কাদিরকোল গ্রামের ইউপি সদস্য শামীম কবির বলেন, শিক্ষক মোমিনুর রহমান এমপিওভুক্তির খবর শুনে এক সপ্তাহ আগে যোগদান করেছেন।

এ ব্যাপারে কাদিরকোল আদর্শ দাখিল মাদরাসার সুপার রেজাউল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ননএমপিও থাকায় শারিরীক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক মোমিনুর রহমান সিঙ্গাপুর চলে যান। তার ছোট ভাই মিজানুর রহমান বিদ্যালয়ে ক্লাস নিতেন।

মাদরাসাটির সভাপতি আলী হোসেন বলেন, শারিরীক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক মোমিনুর রহমান ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী সিদ্দিকুর রহমান আগেই প্রতিষ্ঠানে ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন তারা অনুপস্থিত ছিল।

কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মধুসূদন সাহা বলেন, নিবন্ধন শুরু হয়েছে ২০০৫ সাল থেকে। এরপর থেকে নিবন্ধন ছাড়া কাউকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেওয়া যাবে না।

এসবি

 

পরিবর্তন বিশেষ: আরও পড়ুন

আরও