নড়াইলে সৌদি প্রবাসী হত্যার রহস্য উন্মোচন

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

নড়াইলে সৌদি প্রবাসী হত্যার রহস্য উন্মোচন

যশোর ব্যুরো ৯:২৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৯

নড়াইলে সৌদি প্রবাসী হত্যার রহস্য উন্মোচন

প্রায় সাড়ে ৩ বছর পর নড়াইলের লোহাগড়ার আমিরুল ইসলাম টনিক (৩৬) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোর। হত্যাকান্ডে জড়িত এক আসামি আটকের পর পিবিআই এই রহস্য উদ্ঘাটন করে।

আটক সজিব খান হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে নড়াইলের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ২০১৬ সালে সৌদি প্রবাসী টনিকের বাড়িতে টাকা চুরি করতে গিয়ে ওই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

আটক সজিব খান (২৬) নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের সবুর খানের ছেলে।

পিবিআই যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে অজ্ঞাত চোরেরা সৌদিপ্রবাসী নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আমিরুল ইসলাম টনিকের বাড়িতে হানা দেয়।

বাড়ির গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশের পর আলমারি খোলার সময় টনিকের ঘুম ভেঙ্গে গেলে সে একজনকে চিনে ফেলে। এ সময় চোরেরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়।

আহত অবস্থায় প্রথমে নড়াইল, পরে খুলনা ও ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যু হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি টনিকের ভাই আবু সাঈদ শেখ বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছরেও এ মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় গত ৪ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই যশোর।  

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই’র এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, মামলার কাগজপত্র গ্রহণ করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সাথে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার রাতে নিহত টনি ঘুম থেকে উঠেই বলেছিল ‘তোরা আমার বাড়ি!’। অর্থাৎ সে চোরদের চিনতে পেরেছিল। এই সব সূত্র ও তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার গভীর রাতে আসামি সজিব খানকে আটক করা হয়।

আটক সজিব জানিয়েছে, টনিকের আপন চাচাতো ভাই তুষার শেখ ওই চুরির পরিকল্পনা করে। তার সাথে ছিল জিল্লু ও মনিরুল মোল্যা। তারাই সজিবকে যুক্ত করে চুরি করতে নিয়ে যায়। এরপর ওই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। আটক সজিব শনিবার নড়াইলের আদালতেও ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।   

আইআর/এসএস

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও