আবরারের ছোট ভাই ও ভাবিকে মারধরের অভিযোগ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

আবরারের ছোট ভাই ও ভাবিকে মারধরের অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ১০:২৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৯, ২০১৯

আবরারের ছোট ভাই ও ভাবিকে মারধরের অভিযোগ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়াজ ও আববারের ফুপাত ভাইয়ের স্ত্রী তমা খাতুনকে পুলিশ মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

গ্রামবাসীর বাধায় আবরারের বাড়ি ঢুকতে পারেন নি উপাচার্য। দেখা করতে না পারায় ফিরে যেতে গেলে আববারের ফুপাত ভাইয়ের স্ত্রী তমা খাতুন গাড়ির সামনে রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে পুলিশ তাকে সরিয়ে দিতে চড়াও হয়। এসময় পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।

পরে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আহত হন। আহত তমা খাতুন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানা গেছে।

বুয়েট ভিসি আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তবে আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। আবরারের ভাই ও বাবার প্রশ্নবানে জর্জরিত হন উপাচার্য। তাদের জিজ্ঞাসা ছিল, উপাচার্য কেন ওই হত্যাকাণ্ডের পরপর সেখানে উপস্থিত হননি। এখন কেন এসেছেন?

রায়ডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে আবরারের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল ভিসির। এ খবরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন করা হয়। আবরারের বাড়ির পাশে ও কবরের আশপাশ এলাকায় অসংখ্য র‌্যাব ও পুলিশ অবস্থান নেয়।

জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্তায় উপাচার্য গাড়ি সেখান থেকে পুলিশ প্রহরায় বেরিয়ে আসে। পুলিশও চলে গেলে আরো ক্ষোভে ফেটে পড়ে এলাকার লোকজন। উপাচার্যের পদত্যাগসহ এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষী পুলিশের বিচার দাবি করেন এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী। এরপর তাকে শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত বলেন, কোনো মারধর বা কাউকে লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটেনি, যদি কোনো প্রমাণ থাকে তবে সেই পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এইচআর

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও