তোপের মুখে রায়ডাঙ্গা ছেড়ে পালালেন বুয়েট ভিসি

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

তোপের মুখে রায়ডাঙ্গা ছেড়ে পালালেন বুয়েট ভিসি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ৭:৩২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৯, ২০১৯

তোপের মুখে রায়ডাঙ্গা ছেড়ে পালালেন বুয়েট ভিসি

আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে এসে গ্রামবাসীর তোপের মুখে পালিয়েছেন বুয়েট উপাচার্য সাইফুল ইসলাম।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল ও স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে ভিসি সাইফুল ইসলাম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান উপাচার্য। পরে তিনি আবরারের কবর জিয়ারত করেন। তারপর আবরার ফাহাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে হেঁটে রওনা হন তিনি। কিছু দুর গিয়েই গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়েন। আবরার ফাহাদের বাবার সাথে দেখা হলেও তার বাড়িতে ঢুকতে পারেননি উপাচার্য।

এর আগে উপাচার্য, আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ও ভাই আবরার ফায়াজসহ সবাই মিলে কবর জিয়ারত করেন। পরে আবরারের ভাই ও বাবার প্রশ্নবানে জর্জরিত হন উপাচার্য। তাদের জিজ্ঞাসা ছিল, উপাচার্য কেন ওই হত্যাকাণ্ডের পরপরই সেখানে উপস্থিত হননি। এখন কেন এসেছেন?

উপাচার্যের যাওয়ার কথা শুনে স্থানীয় শত শত নারী-পুরুষ আবরারদের গ্রামের বাড়ির সামনের সড়কে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপাচার্যকে ঘিরে ধরেন। এ পরিস্থিতিতে আবরারের মায়ের সঙ্গে দেখা না করে উপাচার্য পুলিশ প্রহরায় রায়ডাঙ্গা গ্রাম ছেড়ে চলে যান।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। রোববার (৬ অক্টোবর) দিনগত রাত ৮টার দিকে শেরে বাংলা হলের ১০১১নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন আবরারকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর রাত দুইটা পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে শেরে বাংলা হলের একতলা ও দোতলার মাঝখানের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়

এইচআর

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও