চার বছর কাজ করে শাহ আলম জানলো তার চাকরি নেই

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

চার বছর কাজ করে শাহ আলম জানলো তার চাকরি নেই

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ৮:৩১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

চার বছর কাজ করে শাহ আলম জানলো তার চাকরি নেই

চার বছর চাকরি করেছেন। বসেছেন চেয়ার-টেবিলেও। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন। এখন কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছেন তার চাকরি নেই।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রামনগর এ অ্যান্ড জে কলেজের নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর শাহ আলমের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটেছে।

ওই পদে মোটা অংকের টাকা নিয়ে আরেকজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন কালীগঞ্জ উপজেলার কাদিরকোল গ্রামের মৃত খোরশেদ আলীর ছেলে শাহ আলম।

তবে অধ্যক্ষ মোকলেছুর রহমান পিন্টু বলেন, তাকে আগের সভাপতি সাময়িকভাবে মৌখিক নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু বোর্ড বা কমিটির কোনো অনুমোদন ছিল না। এ জন্য এটাকে নিয়োগ বলা যাবে না।

কলেজ থেকে বের করে দেয়ার পর শাহ আলম ঝিনাইদহ জজ আদালতে একটি মামলা (নং ২৭৯/১৯) করেন।

শাহ আলমের ভাষ্য মতে, তাকে গত ২০/৪/২০১৫ তারিখে নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ডের সুপারিশ ও ২২/০৪/১৫ তারিখে গভার্নিং বডির নিয়োগ অনুমোদনক্রমে ‘নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ পদে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এছাড়া ২৫/০৪/১৫ তারিখ হতে ০২/০৫/১৫ তারিখের মধ্যে যোগদানপত্র দাখিল সাপেক্ষে যোগদান করতে বলা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন অধ্যক্ষ মকলেছুর রহমান। কিন্তু ৩/৪/১৮ তারিখে দুইটি পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক শূন্য পদে সাজ্জাদ হোসেনকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং কাদিরকোল গ্রামের ফজের বিশ্বাসের ছেলে কাজলকে মাস্টার রোলে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে শাহ আলমের নিয়োগ সাবেক সভাপতি শরিফুল ইসলামের হাত দিয়ে হওয়াই তার মৃত্যুর পর এই নাটকীয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে মোটা অংকের টাকা বাণিজ্য করার জন্য।

কাদিরকোল গ্রামের আব্দুল ছাত্তার, রামনগরের দোস্তর আলী ও স্থানীয় দোকানদার আশরাফুল ইসলাম জানান, শাহ আলম অনেক দিন ধরেই এই কলেজে চাকরি করেছেন। আমরা তাকে কলেজে এসে কাজ করতে দেখেছি।

বিষয়টি নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মকলেছুর রহমান পিন্টু বলেন, শাহ আলম বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী নন। সাময়িকভাবে কেউ নিয়োগ দিলেই তো সে স্টাফ হয়ে যায় না।

তিনি বলেন, এ নিয়ে আদালতে মামলা হয়েছে। আমরা যথারীতি জবাব দেব।

এইচআর

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও