বাল্যবিয়ে দিয়ে দ্রুত শ্বশুররাড়ি পাঠালেন স্কুলছাত্রীকে

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

বাল্যবিয়ে দিয়ে দ্রুত শ্বশুররাড়ি পাঠালেন স্কুলছাত্রীকে

নড়াইল প্রতিনিধি ১০:২৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯

বাল্যবিয়ে দিয়ে দ্রুত শ্বশুররাড়ি পাঠালেন স্কুলছাত্রীকে

বাল্যবিয়ে না দেয়ার অঙ্গীকার করে মুচলেকা দেয়ার কিছুক্ষণ পরেই নড়াইলে কালিয়া উপজেলার কচুয়াডাঙ্গা গ্রামে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ে দিয়েই দ্রুত শ্বশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, কালিয়া উপজেলার কচুয়াডাঙ্গা গ্রামের মো. শাহাদাত মৃধার মেয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শিরিনা খানমের (১২) সাথে পাশের খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার নলিয়ারচড় গ্রামের ইয়াছিন শেখের ছেলে রেজওয়ান শেখের (১৭) বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ হয়। বাল্যবিয়ের বিষয়টি কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা নাজমুল হুদা জানতে পেরে নড়াগাতী থানা পুলিশকে বাল্যবিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন।

সোমবার পাশের নড়াগাতী থানার এসআই মনিরুউজ্জান দুপুরে বিয়ে বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন। এসময় মেয়েকে বাল্যবিয়ে দেবেন না মর্মে মেয়ের চাচা ফারুক মৃধা অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন।

পরে পুলিশ চলে গেলে বিকেল ৪টার দিকে তড়িঘড়ি করে বিয়ে দেন এবং মেয়েকে দ্রুত শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

এ বিষয়ে মেয়ের বাবা শাহাদত হোসেন বলেন, ‘শিরিনার মা বিদেশে থাকে। মেয়ে মানুষ ঘরে থাকা ঝামেলা। কে কোন সময় বদনাম উঠায় তাই বিয়ে দিয়েছি।’

কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, আমি বাল্যবিয়ে হচ্ছে শুনে একটা জরুরি কাজে দূরে থাকায় নড়াগাতী থানা পুলিশকে দিয়ে বিয়ে বন্ধ করি। মেয়ের চাচা অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন যে তারা মেয়ের বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না। এরপরও যদি বিয়ে দিয়ে থাকেন সেটা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এইচআর

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও