কুষ্টিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ভস্মীভূত

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

কুষ্টিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ভস্মীভূত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ৫:৪১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০১৯

কুষ্টিয়ায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ভস্মীভূত

কুষ্টিয়ায় বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে সব ঘরের আসবাবপত্রসহ যাবতীয় কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং বি-ব্লক ৩৮২নং বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আক্রান্ত বাড়ির তালাবদ্ধ সবকয়টি ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. আলী সাজ্জাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের দাবি করেন, প্রায় দেড় হাজার বর্গফুটের বাড়িতে চারটি ঘরে থাকা ৩টি এয়ারকুলার, দুইটি ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ ওয়ারড্রবে থাকা নগদ তিন লাখ টাকা, স্ত্রী, কর্মচারী শামীমা আক্তার, বড় ছেলে খোকসা উপজেলা উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শৈবাল আহমেদ এবং রাজবাড়ি জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক আল-মাসুম আহমেদের সব শিক্ষা সনদসহ চাকরির সব অফিসিয়াল কাগজপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং আমার মুক্তিযোদ্ধা সনদসহ জমি জায়গার কাগজপত্র সবই ভস্মীভূত হয়েছে।

প্রকৃত অর্থে বর্তমান অবস্থায় অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত বসবাস অযোগ্য বাড়িতে একরকম খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করতে হচ্ছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ফ্রেক্সিলোড দোকানদার মানিক জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে হঠাৎ দেখি ৩৮২নং বাড়ির সবকয়টি ঘর থেকে কালো ধোঁয়াসহ প্লাস্টিক পোড়া বিকট গন্ধ বেরুচ্ছে। ওই বাড়িতে আগুন লেগেছে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে কল করি। আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আলী সাজ্জাদ জানান, হাউজিং বি ব্লকের ওই বাড়িতে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে প্রায় ৯০ ভাগই ভস্মীভূত হয়েছে। বাড়ির তালাবদ্ধ সবগুলো ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে দেখা যায় যা ছিলো তার সবই পুড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বাড়িটিতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদিতে সংযোগ দেয়া লাইনগুলো অনিরাপদ বা যথাযথ না থাকায় অতিরিক্ত চাপ থাকায় তারগুলোতে একত্রে আগুন লেগেছিলো।

তিনি বলেন, বাড়িটি পুনরায় মেরামত না হওয়া পর্যন্ত বসবাসেরও অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তবে কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও নিরূপণ করা যায়নি।

এইচআর

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও