কুষ্টিয়ায় ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের পালিয়ে বিয়ে

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

কুষ্টিয়ায় ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের পালিয়ে বিয়ে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৯

কুষ্টিয়ায় ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের পালিয়ে বিয়ে

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সাদীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক সাবেক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান ওই বিদ্যালয়ের তুহিন আহমেদ জনি নামে এক খণ্ডকালীন শিক্ষক। তারপর ঐ ছাত্রীকে কোর্টে নিয়ে বাল্য বিবাহে আবদ্ধ হলেন ঐ শিক্ষক।

খণ্ডকালীন শিক্ষক জনি সাদীপুর ইউনিয়ের ঘোষপুর গ্রামের আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় সাদীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে আলোচনা সমলোচনা। এদিকে বিদ্যালয়ের পড়াশোনার স্বাভাবিক পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে এলাকাবাসীদের মধ্যে।

জানা গেছে, নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে খণ্ডকালিন শিক্ষক জনির সাথে। বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করে অসামাজিক কাজেও লিপ্ত হতেন তারা। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এভাবে চলতে চলতে এক পর্যায়ে ছাত্রীটি এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করলে গত বৃহস্পতিবার জনি তাকে নিয়ে পালিয়ে যান।

অবশেষে কোর্ট ম্যারেজ করেন। কিন্তু ছাত্রীর পরিবার এখনও বিষয়টি মেনে নিতে পারিনি।

এ বিষয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক জনি বলেন, নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় ওর সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওর পরিবার আমাদের সম্পর্ক মেনে না নেয়ায় পালিয়ে বিয়ে করেছি আমরা। তবে মেয়ের পরিবার এখনও মেনে নেয়নি।

বাল্য বিবাহ বিষয়ে জানতে চাইলে জনি বলেন,আমরা বয়স এফিডেবিট করেছি,ও আর পড়াশোনা করবে না।

সাদীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুদ্দোজা এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রেম করে বিয়ে করেছে ওরা। এই ঘটনায় জনিকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন মানিক বলেন, বিষয়টা শুনেছি,মিটিং ডেকে ব্যবস্থা নিবো।

এআরই

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও