ঝিনাইদহে মুয়াজ্জিন হত্যার রহস্য উন্মোচন (ভিডিও)

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ঝিনাইদহে মুয়াজ্জিন হত্যার রহস্য উন্মোচন (ভিডিও)

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৯

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের বানিয়াবহু গ্রামের পাটক্ষেতে হাফেজ সোহেল রানা (২৩) নামে এক মুয়াজ্জিনকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যার মোটিভ ও ক্লু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ঘাতক দলের এক নারী সদস্যাকে। তার নাম জুলিয়া। তিনি ঝিনাইদহ সদরের বাগুটিয়া গ্রামের ঘাতক দলের আরেক সদস্য রাজুর স্ত্রী। পলাতক রয়েছে জুলিয়ার স্বামী রাজুর বন্ধু সুমন ও মামাতো ভাই নাজমুল।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কনক কুমার দাস জানান, মঙ্গলবার সকালে বানিয়াবহু গ্রামের মাঠের একটি পাটক্ষেতে এক যুবকের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনস্থলে পৌঁছে দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরিবারের লোকজন এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করে।

নিহতের মা রেখা বেগম জানান, তার ছেলে কালীগঞ্জের চাপালি গ্রামের মসজিদে দীর্ঘ দিন ধরে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কী কারণে তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে তা তিনি জানেন না।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান মঙ্গলবার দুপুরে জানান, নারীঘটিত কারণে সোহেল রানাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিয়ের আগে থেকেই জুলিয়া খাতুনের সাথে নিহত সোহেল রানার দৈহিক সম্পর্ক ছিল। জুলিয়ার বিয়ে হলেও পিছু ছাড়েননি তিনি। কোটচাঁদপুর থেকে এসে ওই এলাকায় মাঝে মাঝে থাকতেন। সেইসঙ্গে মসজিদে মুয়াজ্জিনের চাকরি নেন।

এদিকে, জুলিয়া তার সাবেক প্রেমিককে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে তার স্বামী রাজুকে সাথে নিয়ে হত্যার ছক কষেন। সেই পরিকল্পনা মোতাবেক সোহেল রানাকে সোমবার ধরে এনে গলা ও পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা করা হয়।

এ নিয়ে জুলিয়া আদালতে ৬ পাতার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানে হত্যার পুরো ঘটনা বর্ণনা করেছেন তিনি।

ওসি মিজানুর রহমান খান বলেন, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে হত্যার রহস্য উদ্ধার করতে পেরে ভাল লাগছে।

সোহেল রানা কোটচাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর ইউনিয়নের লক্ষীকুন্ডু গ্রামের জোয়ারদার পাড়ার বখতিয়ার রহমানের ছেলে।

এসএএস/আরপি
আরও পড়ুন...
ঝিনাইদহে মুয়াজ্জিন হত্যায় গৃহবধূ আটক

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও