ঈদে জামা কিনে দেয়ার কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ | ৮ কার্তিক ১৪২৫

ঈদে জামা কিনে দেয়ার কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ৯:৪৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০১৮

ঈদে জামা কিনে দেয়ার কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ঈদে নতুন জামা কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার সকালে উপজেলার মসলেমপুর পাম্প হাউজ এলাকার নিজ বাড়িতেই ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিশু।

বর্তমানে শিশুটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আলম (৫০) পলাতক রয়েছেন। তিনি উপজেলার ঘোলদাগ চাষী ক্লাব এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার মসলেমপুর পাম্প হাউজ এলাকার হতদরিদ্র দাদির কাছে থেকে পড়াশোনা করে দুই ভাই বোন।

শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে তাদের দাদি কাজে বের হয়ে যান। এসময় আলম ওই বাড়িতে এসে শিশুটিকে ঈদের নতুন জামা কিনে দেওয়ার প্রলোভন ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিবস্ত্র করে ছবি তোলেন। এরপর জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
এ দৃশ্য দেখে শিশুটির ছোট ভাইয়ের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এ সময় আলম পালিয়ে যায়।

বাহিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রওশান আরা বেগম জানান, আলম ইতোপূর্বে এই এলাকায় নানা অপকর্ম করেছে। সে দুষ্ট প্রকৃতির মানুষ। সে জঘন্যতম অপরাধ করেছে। তার কঠোর সাজা হওয়া উচিত।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শুপ্রভা রানী জানান, শিশু একজন শিক্ষার্থীকে মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালের জরুরী বিভাগে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। এরপর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় আলমকে আটক ও তার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

ভেড়ামারা থানার (ওসি) আমিনুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশু ধর্ষণের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। আলমকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশের দুইটি টিম অভিযান চালাচ্ছে।

এসবি