যশোরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫

যশোরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

যশোর ব্যুরো ৩:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৮

যশোরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

নানা আনুষ্ঠানিকতায় যশোরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ যশোরের উদ্যোগে ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বুধবার সকালে প্রচার শোভাযাত্রা, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে এ দিবস পালিত হয়। সকালে কালেক্টরেট চত্বরে বাদ্যের তালে তালে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে প্রচার শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হুসাইন শওকত।

এ শোভাযাত্রা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। এখানে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ যশোরের উপ-পরিচালক ডা. মুন্শী মনোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. হারুণ অর রশীদ। আলোচনা করেন জেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন ও এফপিএপির জেলা কর্মকর্তা আবিদুর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শবনম মমতাজ রোজী। স্বাগত বক্তব্য দেন ডা. রফিকুল আলম খান।

আলোচনা সভায় অতিথিবৃন্দ বলেন, বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৭ লাখ। এই বিপুল জনসংখ্যার মধ্যে ৯ কোটি ৪৫ লাখ ৮৪ হাজার কর্মক্ষম।

এছাড়া মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশই কিশোর-কিশোরী ও তরুণ তরুণী যারা বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল জনমিতিক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। এদের উপরেই দেশের উন্নয়ন নির্ভর করছে। তাই এদেরকে সঠিক পরিচর্যা করে গড়ে তুলতে জিও- এনজিও সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় জেলা, উপজেলার শ্রেষ্ঠ মাঠকর্মীকে এবং শ্রেষ্ঠ উপজেলা ও শ্রেষ্ঠ এনজিও প্রতিষ্ঠানকে পদক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এ বছরে জেলার শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক হিসেবে অভয়নগরের সুন্দলী ইউনিয়নের মিল্টন কবিরাজ, জেলার শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী পরিদর্শক হিসেবে শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নের মর্জিনা খাতনু, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসেবে মণিরামপুর সদর ক্লিনিকের সালমা খাতুন, শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হয়েছেন অভয়নগরের রাজঘাট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের শাহাদাৎ হোসেনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। আর চুড়ামনকাটির পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা রীতা মাসুদ সদর উপজেলার শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নির্বাচিত হয়েছেন।

সভায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১৩টি বেসরকারি সংস্থাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

আইআর/এসএফ