কাতারে ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

কাতারে ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে

পরিবর্তন ডেস্ক ২:৩৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

কাতারে ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে

মধ্যপ্রাচ্যের উপদ্বীপখ্যাত তেলসমৃদ্ধ দেশ কাতার। প্রায় আড়াই হাজার মসজিদ রয়েছে দেশটিতে। প্রেসিডেন্ট মসজিদসহ অধিকাংশ মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিন হিসেবে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বাংলাদেশি দক্ষ হাফেজ ও আলেমরা।

নতুন করে আরও ইমাম-মুয়াজ্জিন নিতে বাংলাদেশে আসছে কাতারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। বাছাই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত।

কাতারে ইমাম ও মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালনে আগ্রহীদের জন্য তুলে ধরা হলো আবেদন প্রক্রিয়া-

১। আগামী ১ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় জামে (কবরস্থান) মসজিদে রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। অন্যান্য বছরের মতো এবার ফরম বিতরণ করা হবে না। কাজগপত্র জমা দিয়ে ৩ অক্টোবরের (বৃহস্পতিবার) মধ্যে সিরিয়াল নিতে হবে।

২। ৪ অক্টোবর (শুক্রবার) থেকে সিরিয়াল অনুযায়ী ধাপেধাপে সাক্ষাৎকার (ইন্টারভিউ) শুরু হবে। ১৬ অক্টোবর (বুধবার) এ ইন্টারভিউ শেষ হবে।

৩। ইন্টারভিউ চলাকালীন (৪-১৬ অক্টোবর) নতুন করে কোনো রেজিস্ট্রেশন হবে না।

৪। আবেদনকারীকে অবশ্যই স্বীকৃত আলেম বা ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র/প্রশংসাপত্র জমা দিতে হবে।

৫। আবেনদকারীর বয়স হবে সর্বনিম্ন ২০ বছর এবং সর্বোচ্চ ৪৫ বছর।

৬। প্রত্যেক আবেদনকারীকেই কুরআনের হাফেজ হতে হবে। তাজবিদের সঙ্গে সুন্দর কণ্ঠে তিলাওয়াতকারী হতে হবে। তিলাওয়াতে দক্ষ হতে হবে।

৭। জামেয়া বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিপ্রাপ্তরা অগ্রাধিকার পাবে।

৮। আবেদনকারীর দুই কপি রঙিন ছবিসহ পাসপোর্ট, জন্মসনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্বারা সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।

৯। উল্লেখিত কাগজপত্র জমা সাপেক্ষে আবেদনকারীর মৌখিক ইন্টারভিউ নেয়া হবে।

১০। মৌখিক ইন্টারভিউতে উত্তীর্ণরাই চূড়ান্ত বাছাইয়ের জন্য জীবনবৃত্তান্ত ও স্বাস্থ্য সনদ জমা দিবে। জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার সনদ থাকলেও তা জমা দেয়া যাবে। তবে তা আবশ্যকীয় নয়।

আবেদনকারীর প্রস্তুতি

১। পরিক্ষার বিষয়বস্তু—কুরআন তেলাওয়াত (হিফজ) আজান আর ইকামাতের ক্ষেত্রে মক্কা-মদীনার আজান অনুসরণ করা যেতে পারে। আজান ও ইক্বামাতের ক্ষেত্রে মক্কা-মদীনার যে কোনো আজান বা ইক্বামাত অনুসরণ করলেই হবে।

২। তাজবীদ- কুরআনে কারীমের উচ্চারণ সুন্দর থেকে সুন্দরতর করার চেষ্টা অব্যাহত রাখা।

৩। লাহান ‍ঠিক রেখে ইয়াদ- পুরো ৩০ পারাই কুরআনের হক আদায় করে ইয়াদ করার চেষ্টা করা। মনে রাখতে হবে, যে কোনো কম্পিটিশনেই ইয়াদের বিষয়টা থাকে সবার উর্ধ্বে।

৪। সুউচ্চ আওয়াজ- গলা ছেড়ে, আওয়াজ উঁচু করে পড়তে হবে।

কাতারে ইমাম ও মুয়াজ্জিন হিসেবে নিজেদের নিয়োজিত করতে ১ অক্টোবর রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় (কবরস্থান) মসজিদে রেজিস্ট্রেশন ও পরবর্তী পদক্ষেপ যথাযথ অনুসরণ ও অনুকরণ করা জরুরি।

এমএফ/

 

ইসলাম: আরও পড়ুন

আরও