হালাল সনদে চকলেট বয়কট

ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬

হালাল সনদে চকলেট বয়কট

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:০৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৮

হালাল সনদে চকলেট বয়কট

ইউরোপের উগ্র-জাতীয়তাবাদীরা সম্প্রতি সুইস একটি চকলেট কোম্পানির পণ্যকে বয়কটের ঘোষণা করেছে।

কোম্পানিটির চকলেটকে হালাল হিসেবে সনদ প্রদানের কারণে তারা এ ঘোষণা দিয়েছে।

কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনের মুখপাত্র ইবরাহীম হুপার বলেন, ‘খাদ্য একটি সার্বজনীন বিষয় এবং এ কারণে ঘৃণার বিস্তারকারীরা এই বিষয়টি নিয়ে টানাহেঁচড়া করছে।’

তিনি বলেন, ‘এটি এমন একটি বিষয় যা সর্বদাই স্পর্শকাতর এবং তারা এটাকে তাদের গোঁড়ামির একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখছে।’

জনপ্রিয় সুইস চকলেট কোম্পানি টবলেরনের পণ্যগুলোকে গত এপ্রিলে হালাল হিসেবে সনদ প্রদান করা হয়। কিন্তু, গত সপ্তাহে জার্মানির উগ্র জাতীয়তাবাদী এএফডির নেতা ইয়র্গ মিথন ফেসবুকে টবলেরনের চকলেট বয়কটের আহবান জানিয়ে #BoycottToblerone হ্যাশট্যাগ চালু করেন, যেটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ইয়র্গ মিথন তার ফেসবুক বার্তায় বলেন, ‘জার্মানি বা ইউরোপের কোথাও ইসলামীকরণ চলতে পারে না।’

হালাল একটি আরবি শব্দ যার অর্থ অনুমোদিত। শুকর এবং নির্ধারিতভাবে জবাই না করা পশুর গোশত ও চর্বি মুসলমানদের জন্য খাওয়া হালাল নয়। ফলে কোনো পণ্যে এ ধরনের গোশত বা চর্বি থাকলে তা শরীয়তের নির্দেশনা অনুসারে মুসলমানরা খেতে পারে না।

বিশ্বের শুধু ১৫০ কোটি মুসলমানই হালাল পণ্যের বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত নয় বরং স্বাস্থ্যগত কারণে সারা বিশ্বের কমপক্ষে আরও ১০ কোটি অমুসলিম হালাল পণ্য গ্রহণ করে।

সূত্র: এবাউট ইসলাম ডটনেট

এমএফ/আইএম